শিশুর নাস্তা পুষ্টিকর খাবার দিয়ে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নাস্তায় বিভিন্ন ফল যুক্ত করলে শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও খাদ্যআঁশ পেতে পারে। সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে ফল শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়ক হতে পারে।
কলা
কলা সহজে খাওয়া যায় এবং এতে কার্বোহাইড্রেট, পটাশিয়াম ও খাদ্যআঁশ থাকে। নাস্তায় কলা শিশুকে শক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে।
আপেল
আপেলে খাদ্যআঁশ ও বিভিন্ন উপকারী উদ্ভিজ্জ উপাদান রয়েছে। এটি শিশুর দৈনন্দিন ফলের চাহিদা পূরণে ভালো একটি বিকল্প হতে পারে।
আঙুর
আঙুরে পানি, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। তবে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে শ্বাসরোধের ঝুঁকি এড়াতে আঙুর কেটে পরিবেশন করা উচিত।
কমলা
কমলা ভিটামিন সি-এর একটি পরিচিত উৎস। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে এবং নাস্তায় সতেজতা যোগ করে।
বৈচিত্র্যময় ফল খাওয়ানো ভালো
প্রতিদিন একই ফল না দিয়ে বিভিন্ন ফল পালাক্রমে নাস্তায় রাখলে শিশুর খাবারে বৈচিত্র্য আসে এবং বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়।
শিশুর বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ফল নাস্তায় রাখা যেতে পারে। এতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতেও সহায়তা পাওয়া যায়।