আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনছে পেট্রোবাংলা
বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে গিয়ে তিন কার্গোয় অতিরিক্ত খরচ হয়েছে অন্তত ৩০০ কোটি টাকা।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৯-০৯-২০২৬ ১০:০২:৫০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-০৯-২০২৬ ১০:০২:৫০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৯৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহে তিনটি কার্গো কিনতে প্রায় ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে পেট্রোবাংলা। এসব কার্গো জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) মূল্যায়ন পদ্ধতির তুলনায় কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা বেশি দামে কেনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
স্পট মার্কেটের টেন্ডারে ২৫-২৬ সেপ্টেম্বর সরবরাহের জন্য আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুরের দর ছিল প্রতি ইউনিট ২৭ দশমিক ৫৪ ডলার। ওই সময়ে জেকেএম মূল্য ছিল ২৪ দশমিক ০৯ ডলার। একইভাবে আরেকটি কার্গোর জন্য বিপি সিঙ্গাপুরের দর ছিল ২৮ দশমিক ০৩ ডলার, যেখানে জেকেএম মূল্য ছিল প্রায় ২৫ ডলার। ৫-৬ অক্টোবর সরবরাহের জন্য বিটল ইশয়া লিমিটেডের দর ছিল ২৬ দশমিক ৬৬৮৮ ডলার, যেখানে জেকেএম মূল্য ছিল প্রায় ২৫ ডলার।
আরপিজিসিএল জানিয়েছে, ওই সময়ে স্পট মার্কেটে প্ল্যাটস ও জেকেএম দর ছিল ২২ দশমিক ৮২ থেকে ২৪ দশমিক ৬১ ডলারের মধ্যে। ফলে প্রতিটি কার্গোতেই আন্তর্জাতিক সূচকভিত্তিক মূল্যের চেয়ে বেশি দাম দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
জ্বালানি বিভাগকে দেওয়া ব্যাখ্যায় আরপিজিসিএল ও পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক এলএনজি বাজার অস্থির হয়ে পড়ায় দাম বেড়েছে। পাশাপাশি পেট্রোবাংলার নির্ধারিত গ্যাসের মান ও হিটিং ভ্যালুর সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সরবরাহকারী টেন্ডারে অংশ নিতে আগ্রহী হচ্ছে না।
আরেকটি কারণ হলো, স্পট মার্কেটে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এলএনজি সরবরাহের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা। এতে সরবরাহকারীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং প্রতিযোগিতা কম থাকায় দামও বাড়ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কোম্পানি ইচ্ছা থাকলেও স্বল্প সময়ের মধ্যে সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারায় টেন্ডারে অংশ নিতে পারছে না।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।