ঢাকা , রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ , ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ

তিব্বতে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, নেপালেও অনুভূত হলো কম্পন

হিমালয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের রেশ কাটতে না কাটতেই তিব্বতে আঘাত হানল নতুন এই ভূমিকম্প।

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৯-০৯-২০২৬ ০৯:৫০:২৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৯-২০২৬ ০৯:৫০:২৪ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৭৩ বার পঠিত
তিব্বতে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, নেপালেও অনুভূত হলো কম্পন ছবি: সংগৃহীত
তিব্বতে ৫ দশমিক ৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বুধবারের এই ভূমিকম্পের কম্পন নেপালেও অনুভূত হয়েছে।
 
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে।
 
তবে ভারতের জাতীয় ভূকম্পনবিদ্যা কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ০। ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। আহত হওয়ার খবরও পাওয়া যায়নি।
 
বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। হিমালয় অঞ্চলে বড় ধরনের একটি দুর্যোগের দুই সপ্তাহ না পেরোতেই নতুন এই ভূমিকম্প আঘাত হানল। গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে তিব্বতে এটি দ্বিতীয় বড় ভূমিকম্প।
 
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, এর আগে বৃহস্পতিবার তিব্বতে ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল। অগভীর ভূমিকম্প সাধারণত ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি হওয়ায় বেশি অনুভূত হতে পারে। তবে ওই ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
 
নতুন ভূমিকম্পের আগে থেকেই নেপালের কয়েকটি এলাকা ভয়াবহ দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে।
 
গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ধস শুরু হয়। এতে সড়ক, সেতু, ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার জানিয়েছে, এই দুর্যোগে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো ৫ হাজার ৩২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে এই দুর্যোগে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৫১৯ জন। দুই দেশের তথ্য যোগ করলে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৪০০ এবং নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ৮৪৫ জন। তবে নেপালে নিখোঁজ ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে এখনো কাজ চলছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া তথ্য একত্র করে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন কর্মকর্তারা।
 
চীন-নেপাল সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় হিমবাহ ও পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সড়ক ও সেতু ধ্বংস হওয়ায় অনেক এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। দুর্যোগের পর নেপালে উদ্ধার অভিযান ইতোমধ্যে ১৪তম দিনে প্রবেশ করেছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে শত শত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মী রয়েছেন। তাদের অনেকে এখনো নিখোঁজ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের গভীর থেকে কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। শুক্রবার দুই নেপালি নাগরিককে উদ্ধার করা হয়। এর পরদিন শনিবার একজন চীনা নাগরিককেও জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে জীবিত মানুষ উদ্ধারের ঘটনায় উদ্ধারকারীদের মধ্যে নতুন করে আশা তৈরি হয়েছে। নিখোঁজ অন্য ব্যক্তিদেরও জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
 
তিব্বত ও নেপাল সীমান্ত এলাকায় হিমবাহ ধসের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে। এর ফলে পাহাড়ি এলাকায় হিমবাহ ও হ্রদ থেকে হঠাৎ পানি নেমে আসা, ভূমিধস এবং আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে। হিমালয় অঞ্চলেও এ ধরনের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। সাম্প্রতিক বন্যা, পাহাড়ধস এবং একের পর এক ভূমিকম্পের ঘটনায় অঞ্চলটির দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।