বর্তমান সময়ে অনেক শিশু দীর্ঘ সময় মোবাইল, ট্যাব বা টেলিভিশনের সামনে কাটায়। ফলে তাদের দৈনন্দিন শারীরিক কার্যক্রম কমে যেতে পারে। শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম এবং খেলাধুলার সুযোগ থাকা প্রয়োজন।
শারীরিক সক্ষমতা বাড়ায়
দৌড়ঝাঁপ, সাইকেল চালানো বা মাঠে খেলাধুলা শিশুর পেশি ও হাড়কে শক্তিশালী করতে সাহায্য করতে পারে। একই সঙ্গে শরীরের ভারসাম্য ও সমন্বয় দক্ষতাও উন্নত হয়।
অতিরিক্ত ওজনের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক
নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম শরীরের শক্তি ব্যবহারে সাহায্য করে। এতে শিশুদের স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হতে পারে।
মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
খেলাধুলা ও কায়িক পরিশ্রম শিশুর মন ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে। এতে চাপ কমে এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সামাজিক দক্ষতা গড়ে তোলে
দলগত খেলায় অংশ নিলে শিশু অন্যদের সঙ্গে মিশতে শেখে। এতে সহযোগিতা, নেতৃত্ব এবং দায়িত্ববোধের মতো গুণাবলি বিকাশ লাভ করতে পারে।
স্ক্রিন টাইম কমাতে সাহায্য করে
বাইরে খেলাধুলা বা শারীরিক কার্যক্রমে অংশ নিলে শিশুদের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের প্রবণতা কমতে পারে, যা তাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক।
বয়স উপযোগী খেলাধুলা ও কায়িক পরিশ্রমের সুযোগ তৈরি করা অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম শিশুর সুস্থ ও সক্রিয় জীবনযাপনের ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করতে পারে।