চট্টগ্রাম কাস্টমস বলছে, সরকারি রাজস্ব ফাঁকির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পণ্যের মিথ্যা ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করি। তদন্ত কমিটি সেখানে যে সুপারিশগুলো করে, তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। বেশ কিছু লাইসেন্স স্থগিত আছে। কারও কারও লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। কিছু উচ্চ আদালতে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। আমরা অবশ্যই মিসডিক্লারেশন রোধে সবসময় সজাগ আছি।
চালানটির সিএন্ডএফ এজেন্টস চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের জেরিন এন্টারপ্রাইজ। তবে কাস্টমসের দেয়া নথির ঠিকানায় গিয়ে দেখা মিলে একজন আয়কর আইনজীবীর। তিনি জানান, জেরিন এন্টারপ্রাইজ ঠিকানা পরিবর্তন করেছে, তিনি সাবলেট হিসেবে থাকেন।
প্রতিষ্ঠানটির নতুন ঠিকানায় গেলে পাওয়া যায় ভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের। সিএন্ডএফ অংশীদারকে না পেয়ে ফোন করলে তিনি দায় চাপান আমদানিকারকের ওপর। অস্বীকৃতি জানান আমদানিকারকের নম্বর দিতেও।
ফোনে জেরিন এন্টারপ্রাইজের সিএন্ডএফ মাহবুবুর রহমান সাগর জানান, আমদানিকারকের কারণ দর্শানোর জবাবও এখানে পজিটিভ হয়েছে। এখন যেটা হবে, ডিউটি নেবে এবং আইন মোতাবেক তাদেরকে ফাইন, পেনাল্টি বা যেটাই করে, আইন মোতাবেক কাজ করে তারপর তার মাল রিলিজ করতে হবে।
আমদানিকারকের নম্বর চাইলে তিনি বলেন, ওনার নম্বরটা আমার কাছে নেই। অনেক সময় তো মেইলে আমরা যোগাযোগ করি। কথা বুঝতে পারছেন।
কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, এ ধরনের ঘটনার পেছনে কাজ করে আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র। যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে কাস্টমস বা অন্য সংস্থার ভেতরের যোগসূত্রও।