সাইবার নিরাপত্তায় নতুন উদ্যোগ, আইআরআইয়ের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬, অনলাইন বুলিং ও রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা
- আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০৩:২৯:৫৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০৩:২৯:৫৪ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
সাইবার অপরাধ, অনলাইন বুলিং এবং প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ নিয়ে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আইআরআইয়ের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, আইআরআইয়ের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার রুকসানা হক এবং তরুণ রাজনীতিবিদ ও আইআরআই প্রশিক্ষণার্থী চামন ফারিয়া ও মোহাম্মদ প্রিন্স।
বৈঠকে সাইবার অপরাধ ও অনলাইন বুলিং প্রতিরোধের পাশাপাশি প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় আইআরআইয়ের প্রতিনিধিরা তাদের চলমান যুব নেতৃত্ব উন্নয়ন ও সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা বিষয়ক কর্মসূচি সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
জন ফ্লুহার্টি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ও বিরোধী দলগুলোর জন্য সর্বসম্মত নীতি এবং আইনগত সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নাগরিকের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়ে সরকার সচেতন। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসংগত বাধানিষেধের আওতায় নাগরিকদের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন বা গালিগালাজ এক বিষয় নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের বিষয়ে গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যমকর্মী, জ্যেষ্ঠ সম্পাদক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল মাধ্যমে শালীনতা নিশ্চিত করা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আইনের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে আইনটির অপব্যবহারের সুযোগ যেন না থাকে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৈঠকে সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদারে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের ইতিবাচক পরামর্শ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।