ওই ফোনে বিভিন্ন ব্যক্তির গোপন তথ্য কেনাবেচা, হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে RAB।
শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন পূর্ব চড়াইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মেহেদী হাসান পটুয়াখালীর কমলাপুর ইউনিয়নের ধরান্দী এলাকার মো. সোহরাব হোসেনের ছেলে।
RAB জানায়, মেহেদী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের সহায়তায় বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে মোবাইল সিমের মালিকানা তথ্য, কললিস্ট, সর্বশেষ কলের লোকেশন, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন, টিআইএন এবং বিকাশ-নগদসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিল। অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন উৎস থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করে পরে অধিক মূল্যে অন্যদের কাছে সরবরাহ করত বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানতে পেরেছে র্যাব।
অভিযানে মেহেদীর কাছ থেকে উদ্ধার করা মোবাইল ফোন যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক আইডি, হোয়াটসঅ্যাপ এবং নগদ অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি অজ্ঞাত ব্যক্তিদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের তথ্যও পাওয়ার দাবি করেছে সংস্থাটি।
RAB -এর ভাষ্য, মেহেদী ও তার সহযোগীরা ডিজিটাল ডিভাইস ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বেআইনিভাবে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, স্থানান্তর ও সরবরাহের মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় উদ্ধার করা আলামতসহ তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
RAB-১০-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তপন সরকার বলেন, নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ, কেনাবেচা ও সরবরাহ করা গুরুতর সাইবার অপরাধ। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা চক্রের বিরুদ্ধে RAB-১০-এর অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।