ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েছে ৫০০ ইসরায়েলি কেশমের কাছে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলার দাবি, নিহত ১ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন নিয়ে রিট খারিজ নবম পে স্কেলে বেতন পেতে তথ্য দিতে হবে আইবাসে চীনে বাড়ছে পেট্রোল ডিজেলের দাম সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগ আওয়ামী লীগ আমলে ঋণের হিসাবেও গড়মিল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা, শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াত সেক্রেটারির গভীর উদ্বেগ মিথ্যা ঘোষণায় চকবাজারের প্রতিষ্ঠানের সাড়ে পাঁচ হাজার কেজি প্রসাধনী আটক আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাশিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষায় নিরাপত্তা বেড়া নির্মাণ করল ফিনল্যান্ড সেফটি ভালভ জটিলতা ও অগ্নিকাণ্ডে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনছে পেট্রোবাংলা চাঁদপুরের ঐতিহাসিক বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের তীব্র সংকট ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে এবং ব্যবসার খরচ কমবে: অর্থমন্ত্রী উত্তরায় শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকার শপিং মলে ভয়াবহ আগুন

৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকার এমআরটি লাইন ৫ প্রকল্প যাচ্ছে একনেকে

গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত হবে নতুন মেট্রোরেল করিডোর
নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ০৯:৫৫:০৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৩-০৯-২০২৬ ১০:২৫:৩৫ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ৩৯ বার পঠিত
৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকার এমআরটি লাইন ৫ প্রকল্প যাচ্ছে একনেকে ছবি সংগৃহিত
রাজধানীর পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মধ্যে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন সংযোগ বাড়াতে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এমআরটি লাইন ৫ এর সাউদার্ন রুট নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। ‘ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট লাইন ৫ সাউদার্ন রুট’ নামের প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর একনেকের সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের কথা রয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, ২০২৬ থেকে ২০২৭ অর্থবছরের তৃতীয় একনেক সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড ডিএমটিসিএল। এর বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মো. আবদুল ওয়াহাব জানান, প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত মেট্রোরেল করিডোর চালু হবে। রুটটি টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও, আফতাব নগর, আফতাব নগর সেন্টার, আফতাব নগর ইস্ট ও নাসিরাবাদ হয়ে যাবে।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের অর্থায়ন থাকবে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিবি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন ফান্ড ইডিসিএফ থেকে ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় মেট্রোরেল লাইন ও স্টেশন, ডিপোর সিভিল ও ভবন নির্মাণ, বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা, রেলওয়ে ব্যবস্থা, রোলিং স্টক এবং ডিপো সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি ইউটিলিটি স্থানান্তর, পরামর্শক সেবা, ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসনসহ প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামোও নির্মাণ করা হবে।

এমআরটি লাইন ৫ এর সাউদার্ন রুটটি নর্দার্ন রুট ও এমআরটি লাইন ১ এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে বিভিন্ন মেট্রোরেল করিডোরের মধ্যে যাত্রীদের স্থানান্তর সহজ হবে এবং রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মধ্যে সমন্বিত গণপরিবহন যোগাযোগ গড়ে উঠবে। পরিকল্পনা কমিশনের মতে, প্রকল্পটি যানজট কমানোর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থার সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পটি অনুমোদনের আগে কয়েক দফা পর্যালোচনা করা হয়েছে। শুরুতে এর ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছিল ৫৪ হাজার ৬১৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পর্যালোচনার মাধ্যমে ব্যয় কমিয়ে ৪৭ হাজার ৭২১ কোটি ৪৪ লাখ এবং পরে ৪৭ হাজার ৬৪৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ১৬ জুলাইয়ের পর্যালোচনায় আরও ২ হাজার ১৪১ কোটি ৪ লাখ টাকা কমিয়ে বর্তমান ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমান প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পের সবচেয়ে বড় অংশ ১৭ হাজার ৭৩৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে মূল লাইন, স্টেশন এবং ডিপোর সিভিল ও ভবন নির্মাণে।

বৈদ্যুতিক, যান্ত্রিক ও রেলওয়ে ব্যবস্থায় ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ২৫৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। রোলিং স্টক ও ডিপো সরঞ্জামে ৪ হাজার ৮২১ কোটি ২৪ লাখ এবং ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসনে ৪ হাজার ৯৭৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে। এডিবির কারিগরি সহায়তায় পরিচালিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ২০২২ সালের অক্টোবরে শেষ হয়। ওই সমীক্ষায় প্রকল্পটিকে কারিগরি, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দিক থেকে বাস্তবসম্মত হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরিকল্পনা কমিশনও রাজধানীর গণপরিবহন উন্নয়ন ও যানজট নিরসনের বিবেচনায় প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের সুপারিশ করেছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।