পদ্মা জেনারেলে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ: ডাক্তারহীন এনআইসিইউ
ফার্মগেট কারওয়ান বাজারের পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি ও অবহেলায় এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন স্বজনরা; ভিডিওতে দেখা গেছে তীব্র উত্তেজনা ও ক্ষোভ।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৪-০৯-২০২৬ ০৯:৩৪:০৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৪-০৯-২০২৬ ০৯:৩৪:০৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় নয় মাস বয়সী এক শিশুর মৃ/ত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে ফেসবুক লাইভে এসে এ অভিযোগ করেন শিশুটির স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, আইসিইউতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কোনো চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি। তবে হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার বলছেন, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শিশুটির মৃ/ত্যু হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ মানতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
রাজধানীর পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় নয় মাস বয়সী এক শিশুর মৃ/ত্যুর অভিযোগে ফেসবুক লাইভে এসে অসহায় স্বজনরা আর্তনাদ করেন। রোববার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হাসপাতালের আইসিইউতে কোনো চিকিৎসক নেই।
স্বজনরা জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর নয় মাস বয়সী শিশু আয়ান আব্দুল্লাহকে পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বারবার ডাকাডাকি করেও কোনো চিকিৎসককে খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ শিশুটির মায়ের।
তিনি বলেন, ‘একটা বাচ্চা যদি এখন মা/রা যায়, এখন শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়, তখন তার অবস্থা কী হবে? বাচ্চাটার আগেই কোনো সমস্যা হয়েছে। আমার অভিযোগ হলো, দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এসব হয়েছে।’
স্বজনরা বলেন, ‘আমাদের ওয়ার্ডের আশপাশে কোনো ডাক্তার ছিল না। আমরা পাশের ডাক্তার রুমে গেছি। কয়েকটা ডাক্তার রুম আছে, সেখানেও গেছি। কোথাও কোনো ডাক্তার ছিল না। এমনকি এনইসিসের কোনো ডাক্তারও ছিল না।’ বাচ্চার মা বলেছেন,তাকে সকাল থেকে কোনো খাবার দেয়া হয়নি , কেননা ফেসবুক লাইভে তার সকালের দেয়া খাবার সেভাবেই পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় মুখ না খুলতে স্বজনদের হু/ম/কি-ধামকি দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। স্বজনরা বলেন, ‘আমরা নরমালি ওদের সঙ্গে কথাবার্তা বলছিলাম। ওদের বিভিন্ন লোক এসে আমাদের কলার ধরে বলতেছে, আপনারা চিল্লাচিল্লি করতেছেন। কম করে হলেও ৪০ থেকে ৫০ জন ভাড়া করা গুন্ডা, নাকি তাদের ভাড়া করা লোক, তারা সবাই এসে যে বাচ্চাটা মারা গেছে, তার বাবাকে বলছে, ‘তুই কথা বলবি, তোকে ছিঁড়ে ফেলব’।’
মেডিকেল অফিসারের দাবি, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে শিশুটির মৃ/ত্যু হয়েছে। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতির বিষয়টি সময়মতো বুঝতে পারেননি তারা। পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. নাজমুল হক বলেন, ‘বাচ্চাটা আগে থেকেই হঠাৎ করে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে গেছে। এরপর যেকোনো সময় বাচ্চার শ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে।’
তবে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ মানতে নারাজ পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম অনিক।
রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বাগ্বিতণ্ডায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।