ঝিনাইদহে রেলপথ চালুর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশায় নতুন ধাপ: সমীক্ষা প্রকল্পে অনুমোদন
মাগুরা থেকে ঝিনাইদহ হয়ে দর্শনা-পোড়াদহ পর্যন্ত রেল সংযোগের সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় অনুমোদন দিয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
- আপলোড সময় : ২৮-১০-২০২৬ ১০:৫১:৪২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-১০-২০২৬ ১০:৫১:৪২ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহে রেল যোগাযোগ চালুর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পথে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। মাগুরা থেকে ঝিনাইদহ হয়ে দর্শনা-পোড়াদহ রেল সেকশনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্য দিয়ে জেলাটিকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার উদ্যোগ আরও এক ধাপ অগ্রগতি হলো।
প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত চিঠি প্রকাশের পর বিষয়টি নিশ্চিত করা গেছে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান (সংযুক্ত) ফারজানা খানমের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে প্রকল্প অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রস্তাবিত প্রকল্পটি গত ২৪ অক্টোবর ২০২৬ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর অনুমোদন লাভ করে।
প্রকল্পটির নাম ‘মাগুরা হতে ঝিনাইদহ হয়ে দর্শনা-পোড়াদহ সেকশনের সঙ্গে রেল সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা’। এ কাজের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। পুরো অর্থই সরকারি অর্থায়নে (জিওবি) বহন করা হবে। প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৮ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
জেলার মানুষের কাছে রেললাইন শুধু যাতায়াতের নতুন মাধ্যম নয়; এটি ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ করা এবং যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেরও সম্ভাবনা বহন করে। তবে সমীক্ষা প্রকল্পের অনুমোদন মানেই রেললাইন নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন নয়। সমীক্ষার ফলাফল, পরবর্তী পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় সরকারি সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে পরবর্তী ধাপ।
প্রকল্পটি অনুমোদনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঝিনাইদহের রেললাইন-প্রত্যাশীদের মধ্যে আশাবাদ দেখা দিয়েছে। এখন জেলার মানুষের প্রত্যাশা, সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন হবে এবং ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলে রেললাইন স্থাপনের পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।