পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফেরাতে সব সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগ
পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘাত নিরসনে সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা ও সব সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
- আপলোড সময় : ২৮-১০-২০২৬ ০৮:২১:৪৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৮-১০-২০২৬ ০৮:২৩:৫৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৭ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান অস্থিরতা ও সংঘাত নিরসনে রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় অংশীজনদের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেছেন, পাহাড়ের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সব সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এগিয়ে যেতে চায় সরকার।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের সংকট দীর্ঘদিনের এবং এর পেছনে নানা জটিলতা রয়েছে। তবে সরকার রক্তপাত কিংবা সংঘাতের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চায় না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
তিনি বলেন, পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা প্রয়োজন। কোনো পক্ষকে বাদ দিয়ে কিংবা হানাহানির মধ্য দিয়ে স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এ জন্য পারস্পরিক অবিশ্বাস দূর করে সংলাপ ও আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
শান্তি প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান, কারবারি ও সামাজিক সংগঠনের নেতাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান মীর হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের উদ্যোগ, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর মাধ্যমে সব পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড় কিংবা সমতল—কোথাও সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে দেওয়া হবে না। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রামের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মাদ আব্দুল হালিম, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।