পশ্চিমবঙ্গে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ: আরও ১০০ প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ
ইসলামিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার; বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৪-০৯-২০২৬ ০৯:৫০:১১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৪-০৯-২০২৬ ০৯:৫০:১১ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৫৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
পশ্চিমবঙ্গের ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনার অংশ হিসেবে ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। যাচাই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে আরও ১০০টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্ধের নোটিশ পাওয়া ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগই খারিজি ধারার মাদ্রাসা। এর মধ্যে মালদায় অন্তত ৪৪টি, উত্তর দিনাজপুরে ৩৭টি, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ৩২টি এবং নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে ২৫টি করে মাদ্রাসা রয়েছে।
রাজ্যের সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু জানিয়েছেন, কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া মাদ্রাসাগুলোকে বৈধ অনুমোদনের নথি দেখাতে হবে। তা করতে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।
রাজ্যের স্বীকৃত ও অস্বীকৃত মাদ্রাসার সংখ্যা নির্ধারণে গত জুনে রাজ্যজুড়ে জরিপ চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপর কলকাতাসহ আরও ২২টি জেলায় জরিপ চালায় সংখ্যালঘুবিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর। জরিপে মাদ্রাসাগুলোর পরিচালনা ব্যবস্থা, শিক্ষার্থী ভর্তির তথ্য, অর্থায়নের উৎস এবং নিবন্ধনের বৈধতা খতিয়ে দেখা হয়।
মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে সরকারের এ পদক্ষেপ ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য।
সীমান্তবর্তী এলাকায় উগ্রপন্থী তৎপরতা বেড়েছে-এমন দাবি করে সরকারের সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
তিনি বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার আড়ালে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা চললে তা বন্ধ করা সরকারের দায়িত্ব। সরকার সেই দায়িত্বই পালন করেছে।'
পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিজেপির জ্যেষ্ঠ নেত্রী অগ্নিমিত্রা পালও মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপকে যৌক্তিক বলে দাবি করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রবিরোধী শিক্ষা দেওয়া হতো।
অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, 'বাংলাদেশভিত্তিক সন্ত্রাসীরা এ ধরনের অনুমোদনহীন মাদ্রাসায় আশ্রয় নিত। আমরা শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে চাই।'
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, মাদ্রাসা মূলত একটি শিক্ষাব্যবস্থা। মাদ্রাসাকে ঘিরে 'সন্ত্রাসী' তকমা দেওয়া ঠিক নয়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।