সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১% বৃদ্ধি, এক দশকের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ
- আপলোড সময় : ১৮-০৬-২০২৬ ১১:০১:৪৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৮-০৬-২০২৬ ১১:০১:৪৪ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১০৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার রোধ ও বিদেশে থাকা অর্থ ফিরিয়ে আনার নানা উদ্যোগের মধ্যেই নতুন পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট আমানত এক বছরে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০২৫ সালের শেষে এই আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৭৬০ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের তুলনায় ৪১ শতাংশ বেশি এবং গত এক দশকের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বছর শেষে দেশটির বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মোট আমানত দাঁড়িয়েছে ৮৩৪ দশমিক ২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা স্থানীয় মুদ্রায় হিসাব করলে উল্লেখযোগ্য অঙ্কে দাঁড়ায়।
পূর্ববর্তী তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২১ সালে বাংলাদেশিদের আমানত ছিল ৮৭১ দশমিক ১ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা এখনো সর্বোচ্চ রেকর্ড। তবে পরবর্তী দুই বছর এই অঙ্ক কমে গেলেও ২০২৪ সালের পর ২০২৫ সালে আবারো তা দ্রুত বেড়েছে, যা নতুন করে অর্থ প্রবাহের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এ বৃদ্ধির বড় অংশই এসেছে প্রাতিষ্ঠানিক খাত থেকে। বিশেষ করে বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে জমা অর্থ ২০২৪ সালের ৫৭৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন ফ্রাঁ থেকে ২০২৫ সালে ৮২২ দশমিক ৭ মিলিয়ন ফ্রাঁতে পৌঁছেছে, যা প্রায় ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি। ফলে মোট আমানতের প্রায় ৯৮ দশমিক ৬ শতাংশই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সংরক্ষিত।
অন্যদিকে, ব্যক্তিগত পর্যায়ের আমানত সামান্য কমেছে। ২০২৪ সালে যেখানে ব্যক্তিগত জমা ছিল ১২ দশমিক ৬ মিলিয়ন ফ্রাঁ, ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ফ্রাঁতে।
দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে সুইস ব্যাংকে আমানতের দিক থেকে বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এই অঞ্চলে শীর্ষে রয়েছে ভারত, যাদের মোট আমানত ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ হলেও আগের বছরের তুলনায় তা কমেছে। বিপরীতে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। আমানত বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশের ওপরে রয়েছে কেবল আফগানিস্তান।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।