নদী ভরাট রোধে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ১১:০০:২৫ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ১১:০২:৩১ পূর্বাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১১০ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নদী ভরাট ও দখলের ঘটনায় পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে । নদী শুধু পানির উৎস নয়; এটি দেশের পরিবেশ, কৃষি, নৌপথ ও মানুষের জীবিকার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই নদী ভরাট রোধে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে মাটি ফেলা, দখল, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ এবং বর্জ্য ফেলার কারণে অনেক নদী দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে।
নদী ভরাটের কারণে মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। একইসঙ্গে নদীকেন্দ্রিক জীবিকা নির্বাহকারী মানুষেরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন। অনেক স্থানে নৌ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ও সক্ষমতা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নদী সংকুচিত হলে অতিবৃষ্টি বা উজান থেকে আসা পানির চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, ফলে শহর ও গ্রামাঞ্চলে জলাবদ্ধতা বাড়তে পারে।
নদী রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; স্থানীয় জনগণ, সামাজিক সংগঠন এবং পরিবেশবাদীদেরও সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে নদী সংরক্ষণ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।
নদী রক্ষা করা মানে শুধু একটি জলাধার রক্ষা করা নয়; বরং দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য, কৃষি ব্যবস্থা, জীববৈচিত্র্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাই নদী ভরাট ও দখল বন্ধে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।