ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ , ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ

ভালো রেজাল্টের চাপ বাড়াচ্ছে শিশুদের মানসিক সংকট

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ০৫:৩১:১৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৯-০৫-২০২৬ ০৫:৩৫:৪০ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৬২ বার পঠিত
ভালো রেজাল্টের চাপ বাড়াচ্ছে শিশুদের মানসিক সংকট প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের প্রতিযোগিতায় শিশুদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি বর্তমানে উদ্বেগজনক একটি বিষয়। অল্প বয়স থেকেই শিশুদেরকে বেশি নম্বর ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতায় ঠেলে দেওয়ার ফলে তাদের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে তা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
বর্তমানে অনেক শিশু বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করার পরও কোচিং, প্রাইভেট পড়া, অতিরিক্ত অ্যাসাইনমেন্ট ও পরীক্ষার প্রস্তুতিতে দীর্ঘ সময় ব্যয় করছে। এতে খেলাধুলা, বিশ্রাম, পরিবারকে সময় দেওয়া এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগ কমে যাচ্ছে। ফলে শিশুদের মধ্যে মানসিক ক্লান্তি, উদ্বেগ, ভয়, হতাশা এবং আত্মবিশ্বাসের ঘাটতির মতো সমস্যা বাড়ছে।
অনেক অভিভাবক সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হয়ে তাদের ওপর অপ্রয়োজনীয় প্রত্যাশার চাপ তৈরি করেন। অন্য শিশুদের সঙ্গে তুলনা করা, কম নম্বর পেলে বকাঝকা করা কিংবা সবসময় প্রথম হওয়ার চাপ দেওয়া শিশুর আত্মমর্যাদাবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। দীর্ঘদিন এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে শিশুরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে।
বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক ক্ষেত্রে শেখার আনন্দের চেয়ে পরীক্ষার ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জনের পরিবর্তে শুধুমাত্র নম্বরনির্ভর হয়ে পড়ে। শিশুদের প্রকৃত বিকাশ নিশ্চিত করতে হলে মুখস্থনির্ভর শিক্ষা ও অতিরিক্ত পরীক্ষার সংস্কৃতি থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে হবে।
প্রতিটি শিশুর মানসিক সক্ষমতা, আগ্রহ ও শেখার গতি আলাদা। তাই সবার ওপর একই ধরনের প্রত্যাশা চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। শিশুদের বয়স উপযোগী পাঠক্রম, আনন্দময় শিক্ষা পরিবেশ এবং মানসিক সহায়তামূলক আচরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো। একইসঙ্গে অভিভাবকদেরও সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলে তাদের মানসিক অবস্থার প্রতি আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একটি শিশুর সুস্থ শৈশব কেবল ভালো রেজাল্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তার মানসিক প্রশান্তি, আত্মবিশ্বাস, সামাজিক দক্ষতা ও মানবিক গুণাবলীর বিকাশও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধুমাত্র ভালো ফলাফলের জন্য শিশুদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে তাদের মানসিক সুস্থতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।