দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট
২১টি পদের বিপরীতে মাত্র দুজন সহকারী শিক্ষক ও এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়ে ধুঁকছে ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল
- আপলোড সময় : ০৫-১১-২০২৬ ০৯:২০:০০ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৫-১১-২০২৬ ০৯:২০:০০ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩১ বার পঠিত
ছবি: প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট দেখা দিয়েছে। ২১টি পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও দুজন সহকারী শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঁচটি শ্রেণির প্রায় ৪৮০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম।
শিক্ষক স্বল্পতার কারণে একদিকে যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় পড়েছেন অভিভাবকরা। এই পরিস্থিতিতে একসঙ্গে একাধিক শ্রেণিতে পাঠদান অব্যাহত রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তাদের নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে না।
ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী অপূর্ব বড়ুয়া বলে, “বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় আমাদের নিয়মিত পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। সরকারের কাছে আমাদের দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের জোর দাবি জানাচ্ছি।”শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র অসন্তোষ। অভিভাবক লিপি দেওয়ান বলেন, “সরকারি বিদ্যালয়ে সন্তানকে ভর্তি করিয়েও আমরা পড়াশোনার মান নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ক্লাস বর্জনসহ কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনুপ কুমার দাশ সংকটের কথা স্বীকার করে জানান, ২১টি পদের মধ্যে মাত্র দুজন সহকারী শিক্ষক ও তাঁকে দিয়ে বিদ্যালয় চালাতে হচ্ছে। প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি নিজে ক্লাস নিয়েও হিমশিম খেতে হচ্ছে। এত কম শিক্ষক দিয়ে প্রায় ৪৮০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র শিকদার বলেন, “বিদ্যালয়টির শিক্ষক সংকটের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের জন্য বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।