ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ , ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিরাপত্তার কারণে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত ২০২৬ সালে গতি পেয়েছে কোয়াড, এগিয়েছে তিন দেশের বৈঠক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা ২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ

নোবিপ্রবি মেডিকেল সেন্টারে টানা চার দিন পানি সরবরাহ বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা

পানির অভাবে অচল শহীদ মুগ্ধ মেডিকেল সেন্টারের ওয়াশরুম ও টয়লেট, মোটর নষ্ট থাকার কথা স্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০৫-১১-২০২৬ ০৯:০৭:২৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৫-১১-২০২৬ ০৯:০৭:২৮ পূর্বাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ২০ বার পঠিত
নোবিপ্রবি মেডিকেল সেন্টারে টানা চার দিন পানি সরবরাহ বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা ছবি: প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শহিদ মুগ্ধ মেডিকেল সেন্টারে টানা চার দিন ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাপ্রার্থীরা। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জরুরি চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও নার্সরা পানির অভাবে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিন তলা বিশিষ্ট মেডিকেল সেন্টারটির প্রতিটি তলার ওয়াশরুম ও টয়লেটে পানির সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনেও কেউ ওয়াশরুম ব্যবহার করতে পারছেন না। চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও দায়িত্বরত কর্মীদের জন্য পানির এই সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এছাড়া পুরো ভবনের ওয়াশরুম ও টয়লেটগুলোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অবস্থাও বেশ নাজুক।

মেডিকেল সেন্টারের কর্মচারীরা জানান, গত ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাত থেকে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরকে জানানো হলেও সপ্তাহান্তের ছুটির কারণে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়। পরবর্তীতে রোববার প্রাতিষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে জানানো হলে মেকানিক এসে নষ্ট মোটরটি মেরামতের জন্য নিয়ে যান।


জরুরি চিকিৎসাসেবার মতো একটি স্পর্শকাতর স্থানে টানা চার দিন পানি না থাকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সেখানে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও চিকিৎসাসেবা নিতে আসা শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে ডিউটিরত নারী চিকিৎসক ও নার্সরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন। এছাড়া মেডিকেল সেন্টারের পাশে অবস্থিত ‘শান্তিনিকেতন’-এর বিভিন্ন টং দোকানে মেডিকেল ভবন থেকে অবৈধভাবে পানির সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রায়শই মেডিকেল সেন্টারে পানির সংকট দেখা দেয় বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।


মেরামত বিলম্বিত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) শান্ত মজুমদার বলেন, ‘আমাকে গত বৃহস্পতিবার জানানোর পর আমি লোক পাঠাই। তখন তারা জানায় লাইনে কোনো সমস্যা নেই, সমস্যাটি মোটরের কয়েলে। এরপর সেটি বৈদ্যুতিক মেকানিক গিয়ে চেক করে মেরামতের জন্য নিয়ে গেছেন বলে আমি জানি।’


একই দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী (ইলেক্ট্রিক্যাল) মো. আবু নাসের বলেন, ‘আমাকে গতকাল জানানোর পর সাথে সাথে আমি মেকানিক দিয়ে নষ্ট মোটরটি মেরামতের জন্য পাঠিয়েছি।’


পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মো. জামাল হোসাইন বলেন, ‘সেলিম স্যার আমাকে ফোন দিয়ে রোববার জানানোর পর ওইদিনই মোটরটি খুলে মেরামতের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আরও আগে অবগত হলে আরও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেত।’


এ বিষয়ে প্রধান মেডিকেল অফিসার (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ সেলিম হোসাইন বলেন, ‘মোটরটি মেরামতের জন্য ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে। আমরা জরুরি ভিত্তিতে মোটরটি দ্রুত মেরামতের জন্য ডিপিডি দপ্তরকে বলেছি।’

চিঠির কারণে বিলম্ব হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা হতে পারে। তাদের শুক্রবারই জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা এসে দেখে চলে যান। ছুটির দিন হওয়ায় মোটরটি বাইরে নিয়ে যাওয়ার অফিসিয়াল কাজ করা যায়নি। গতকাল তারা মোটরটি মেরামতের জন্য নিয়ে গেছেন।’


ওয়াশরুমের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘মেডিকেলে মাত্র একজন ক্লিনার আছেন। তিনি নারী এবং বয়স বেশি হওয়ায় কাজও একটু কম করতে পারেন। রেজিস্ট্রার অফিসের স্টেট শাখাকে অনেকবার একজন ফুলটাইম পুরুষ ক্লিনারের কথা বলেছি, কিন্তু তারা এখনো দেয়নি এবং প্রতিবার অপারগতা প্রকাশ করেছেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।