মস্কোতে গুলিবিদ্ধ রুশ সামরিক গোয়েন্দা উপপ্রধান, হামলার জন্য ইউক্রেনকে দুষছে মস্কো
- আপলোড সময় : ০৬-০২-২০২৬ ০৯:২৮:৪১ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-০২-২০২৬ ০৯:২৮:৪১ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪২ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে দেশটির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার এক শীর্ষ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভ্লাদিমির আলেক্সেয়েভ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ঘটনাটিকে হত্যাচেষ্টা হিসেবে দেখছে রুশ কর্তৃপক্ষ এবং এ হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।
শুক্রবার মস্কোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ভোলোকোলামস্ক হাইওয়ের কাছে একটি ভবনের আশপাশে এই গুলির ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর আলেক্সেয়েভকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, আলেক্সেয়েভ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউর (GRU) প্রধান পরিচালন বিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে ভূমিকা রেখেছেন। ২০২২ সালে মারিউপোল অবরোধের সময় আলোচনায় অংশ নেওয়া ছাড়াও ২০২৩ সালের জুনে ওয়াগনার গ্রুপের বিদ্রোহকালীন পরিস্থিতিতেও তাকে আলোচনার জন্য যুক্ত করা হয়েছিল।
২০১৮ সালে যুক্তরাজ্যের স্যালিসবারিতে নার্ভ এজেন্ট হামলার ঘটনায় জিআরইউর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার তালিকায়ও তার নাম ছিল।
রাশিয়ান তদন্ত কমিটির (আইসিআর) মুখপাত্র স্বেতলানা পেট্রেনকো বলেন, অজ্ঞাত হামলাকারী আলেক্সেয়েভকে লক্ষ্য করে একাধিকবার গুলি চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনায় হত্যাচেষ্টা ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগে ফৌজদারি তদন্ত শুরু হয়েছে এবং হামলাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ দাবি করেছেন, আবুধাবিতে চলমান শান্তি আলোচনাকে ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং এর পেছনে ইউক্রেনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইউক্রেন এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ার ভেতরে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কিছু ঘটনার দায় ইউক্রেন স্বীকার করলেও সব ক্ষেত্রে নয়। গত ডিসেম্বরে মস্কোতেই গাড়ির নিচে পুঁতে রাখা বিস্ফোরকে এক রুশ জেনারেল নিহত হন, যা নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।