প্রেস সচিব জানান, মোবাইল আমদানির ক্ষেত্রে আগে কাস্টমস ডিউটি ছিল ২৫ শতাংশ, যা কমিয়ে এখন ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশে যারা মোবাইল ফোন উৎপাদন (ম্যানুফ্যাকচারিং) করছেন, তাদের উৎসাহিত করতে কাঁচামাল আমদানির শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এই নতুন শুল্ক কাঠামোর ফলে আমদানিকৃত স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে আগে যেখানে মোট করভার (ট্যাক্স ইনসিডেন্স) ছিল ৬১.৮০ শতাংশ, তা এখন কমে ৪৩.৪৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সরকারের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে হ্যান্ডসেটের দাম উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।
শফিকুল আলম আরও বলেন, বর্তমানে বৈধ পথে আমদানিতে উচ্চ শুল্ক থাকার কারণে দেশে বিপুল পরিমাণ ব্যবহৃত বা পুরোনো মোবাইল ফোন অবৈধভাবে প্রবেশ করছে। এসব ফোন পুনরায় ‘রিপাবলিশ’ করে বিক্রি করায় সাধারণ ক্রেতারা যেমন প্রতারিত হচ্ছেন, তেমনি সরকারও বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে। শুল্ক কমানোর ফলে বৈধ পথে নতুন ফোনের সরবরাহ বাড়বে এবং দেশীয় মোবাইল শিল্পে বিনিয়োগে আরও বেশি উদ্যোক্তা আগ্রহী হবেন। এর মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল ইকোসিস্টেম আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছে সরকার।
(সূত্র: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং)
(সূত্র: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং)
ডেস্ক রিপোর্ট