প্রেস সচিব ব্যাখ্যা করে বলেন, অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান আগে একটি নির্দিষ্ট সরকারি কর্মস্থলে নিয়োজিত ছিলেন এবং সেখান থেকে লিয়েন (Lien) নিয়ে বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বর্তমানে তার নিয়মিত সরকারি চাকরি থেকে অবসরের সময় হওয়ায় একটি দাপ্তরিক জটিলতা দেখা দেয়। বিধিমালা অনুযায়ী, লিয়েনে থাকা অবস্থায় কোনো কর্মকর্তা সরাসরি অবসর গ্রহণ করতে পারেন না। এই আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণের জন্য তাকে প্রথমে বিশেষ সহকারীর পদ থেকে পদত্যাগ করে আগের কর্মস্থলে ফিরে যেতে হয়। সেখানে অবসরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পরপরই তাকে পুনরায় আগের পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানকে পুনরায় প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন এই নিয়োগে তাকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ নির্বাহী ক্ষমতাও প্রদান করা হয়েছে। সরকারের এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে ডা. সায়েদুর রহমানের পদত্যাগ নিয়ে তৈরি হওয়া সব ধরনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল। (সূত্র: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং)
ডেস্ক রিপোর্ট