বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণের প্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই 'ইলেকশন অবজারভেশন মিশন' (ইওএম) পাঠাচ্ছে। মূলত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, আইনের শাসন এবং মানবাধিকারের প্রতি ইইউর দীর্ঘস্থায়ী সমর্থনের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মিশনটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে মাঠ পর্যায়ে থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ইইউর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পর্যবেক্ষক দলটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে। এর মধ্যে ভোটগ্রহণের আগের প্রস্তুতি, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সার্বিক পরিস্থিতির মূল্যায়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। একটি স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচনি ব্যবস্থার ওপর একটি নিরপেক্ষ চিত্র তুলে ধরাই এই মিশনের মূল লক্ষ্য।
গুরুত্বপূর্ণ এই মিশনের দায়িত্ব পেয়ে ইভারস ইজাবস নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, "বাংলাদেশে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়ে আমি গর্বিত।" উল্লেখ্য, সাধারণত বড় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়, যা এই মিশনের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট