রায়পুরায় ‘সন্ত্রাসীদের আড্ডা’ বন্ধে যৌথ অভিযান: টেঁটা এখন ‘হাতিয়ারে’ পরিণত, বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১০-১২-২০২৫ ০৯:৪২:৩৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১০-১২-২০২৫ ০৯:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
নরসিংদীর রায়পুরা এলাকায় সন্ত্রাসীদের ব্যাপক আড্ডা এবং অবৈধ অস্ত্রের (হাতিয়ার) উপস্থিতির কারণে প্রয়োজনে সেখানে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশসহ সব বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বুধবার সকালে নরসিংদী জেলা কারাগার পরিদর্শনকালে তিনি এই ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয়ভাবে ব্যবহৃত 'টেঁটা' এখন আধুনিকায়ন হয়ে ভয়াবহ 'হাতিয়ারে' (অস্ত্রে) পরিণত হয়েছে এবং এদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। একইসঙ্গে তিনি জানান, ১৯ জুলাই কারাগার পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় পালিয়ে যাওয়া অনেক কয়েদিকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মাদকের আসামিদের জন্য বিশেষ কারাগার গড়ে তোলা হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বুধবার সকালে নরসিংদী পুলিশ লাইনসের ক্যান্টিন, হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে জেলা কারাগার পরিদর্শনে যান। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বুধবার সকালে নরসিংদী পুলিশ লাইনসের ক্যান্টিন, হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে জেলা কারাগার পরিদর্শনে যান। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
রায়পুরা প্রসঙ্গে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ওই এলাকায় সন্ত্রাসীদের আড্ডা অনেক বেশি এবং সেখানে অবৈধ অস্ত্রের আনাগোনা আছে। তিনি স্থানীয় ঐতিহ্যের অংশ 'টেঁটা' প্রসঙ্গে বলেন, “বর্তমানে টেঁটা আপডেট হয়ে হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। এদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।” এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সব বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
কারাগারের পরিস্থিতি সম্পর্কে উপদেষ্টা বলেন, গত ১৯ জুলাই জেলখানায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার পর সব কয়েদি পালিয়ে যায়। এদের মধ্যে অনেকে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছে এবং অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে অনেক অস্ত্র ইতোমধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও জানান, বর্তমানে জেলখানায় থাকা কয়েদিদের বেশিরভাগই মাদকের মামলার আসামি। তিনি এই মাদক নির্মূলে কঠোরভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন এবং মাদকের আসামিদের জন্য দেশে বিশেষ কারাগার গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা দেন।
পরিদর্শনকালে নরসিংদী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল ফারুকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।