প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি: হুঁশিয়ারি দিল মন্ত্রণালয়, না মানলে কঠোর ব্যবস্থা!
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৩-১২-২০২৫ ১০:১২:১৩ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৩-১২-২০২৫ ১০:১২:১৩ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অবিলম্বে কর্মবিরতি ও পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দিতে আন্দোলনরত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছে। বুধবার বিকেলে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই হুঁশিয়ারি জানানো হয়। নির্দেশ অমান্য করে শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে চাকরি আইন, আচরণ বিধিমালা এবং ফৌজদারি আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও স্পষ্ট করা হয়েছে।
সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন স্কেল উন্নীতকরণের মূল দাবিসহ তাদের অন্যান্য দাবিগুলো ইতোমধ্যে অর্থ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, গণশিক্ষা উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে অর্থ উপদেষ্টা এবং বেতন কমিশনের সভাপতির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এমনকি, এর আগে ৩৬৪ জন সহকারী শিক্ষকের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণের অনুরোধ জানিয়ে বেতন কমিশনের সভাপতিকে অনুরোধপত্রও পাঠানো হয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন স্কেল উন্নীতকরণের মূল দাবিসহ তাদের অন্যান্য দাবিগুলো ইতোমধ্যে অর্থ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, গণশিক্ষা উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে অর্থ উপদেষ্টা এবং বেতন কমিশনের সভাপতির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এমনকি, এর আগে ৩৬৪ জন সহকারী শিক্ষকের বেতন স্কেল ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণের অনুরোধ জানিয়ে বেতন কমিশনের সভাপতিকে অনুরোধপত্রও পাঠানো হয়।
দাবি পূরণের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার পরও সহকারী শিক্ষকদের কয়েকটি সংগঠন চলমান বার্ষিক পরীক্ষা বন্ধ করে বিভিন্ন স্থানে বাধা সৃষ্টি করছে। বিজ্ঞপ্তিতে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে যে, কিছু জায়গায় পরীক্ষা নিতে চাওয়া শিক্ষকদের ওপর হামলা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় মনে করছে, কোমলমতি শিশুদের শিক্ষাজীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিয়ে এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মসূচি গ্রহণ করা সরকারি চাকরি আইন ও আচরণ বিধিমালার সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং এটি ফৌজদারি আইনেও বিবেচিত হতে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সকল আন্দোলনকারী শিক্ষককে দ্রুত ক্লাসে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।