এই সমঝোতা চট্টগ্রামের বার্জ ও টাগ মালিক সমিতির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়েছে, যা আইনি পদক্ষেপ থেকে বেরিয়ে এসে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটি পুনরুদ্ধারের পথ খুলে দিল।
সমঝোতা চুক্তিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো অভিযুক্ত বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম তার মালিকানাধীন শিপইয়ার্ডে জাহাজটি সম্পূর্ণ মেরামত করে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেবেন।
জাহাজটি সম্পূর্ণ মেরামত করে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে ৪৫ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
খরচের বণ্টন: মেরামতের সমস্ত খরচ বহন করবেন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম। তবে শ্রমিক খরচ বাবদ ১৫ লাখ টাকা জাহাজের মালিক রাকেশ শর্মা বহন করবেন।
শ্রমিক খরচ পরিশোধ: রাকেশ শর্মা কাজ শুরুর প্রথম সপ্তাহে চেক মারফত ৮ লাখ টাকা দেবেন। কাজ শেষ হওয়ার পর বাকি ৭ লাখ টাকা চট্টগ্রাম বার্জ ও টাগ মালিক সমিতির মাধ্যমে পরিশোধ করবেন।
মেরামত শেষে জাহাজটি চট্টগ্রাম বার্জ ও টাগ মালিক সমিতির কাছে পৌঁছে দিতে হবে। জাহাজ হস্তান্তরের পর, থানায় দায়ের করা মামলা উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে প্রত্যাহার করা হবে এবং মামলা প্রত্যাহারের সব খরচ অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম বহন করবেন।
জাহাজ মেরামতের সময় মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের কোনো প্রকার হুমকি প্রদান করা যাবে না; এমনটা ঘটলে রাকেশ শর্মা আইনের আশ্রয় নিতে পারবেন।
সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের কাদিরগঞ্জ এলাকায় রফিকুল ইসলামের মালিকানাধীন এইচবি হারুন এন্ড ব্রাদার্স মেঘনা শিপইয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে সাতজনের একটি সিন্ডিকেট চট্টগ্রাম থেকে ভাড়া করা 'ডাম্ব বার্জ (ডিবি)' নামের মালবাহী জাহাজটি কেটে স্টিলের প্লেট বিক্রি শুরু করেছিল। গত মঙ্গলবার জাহাজের মালিক রাকেশ শর্মা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেন এবং বুধবার পুলিশ নজরুল ইসলাম নামের এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের মালিক রাকেশ শর্মা নিশ্চিত করেছেন যে সমঝোতা অনুযায়ী তার জাহাজটি মেরামত করে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে চট্টগ্রামে হস্তান্তর করা হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট