এই অধ্যাদেশটি সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ-এর উদ্দেশ্য পূরণ এবং অধস্তন আদালতগুলোর ওপর হাইকোর্ট বিভাগের যথাযথ তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে অপরিহার্য।
বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতির উদ্যোগেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। এর আগে, গত ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছিল।
২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট থেকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এই সংক্রান্ত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। প্রস্তাবটির মূল উদ্দেশ্য ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ-এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ যথাযথরূপে পালনের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা।
প্রস্তাবটিতে একটি স্বতন্ত্র সচিবালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশের খসড়া, প্রস্তাবিত সচিবালয়ের অর্গানোগ্রাম, এবং রুলস অব বিজনেস ও অ্যালোকেশন অব বিজনেসের সম্ভাব্য সংস্কার সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দেওয়া হয়েছিল।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারির ফলে এখন বিচার বিভাগ নিজস্ব সচিবালয়ের মাধ্যমে কার্যকরভাবে প্রশাসনিক ক্ষমতা ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ লাভ করবে, যা একটি আধুনিক ও স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার জন্য অত্যাবশ্যক।
ডেস্ক রিপোর্ট