এজাহারে বলা হয়, প্রকৃত পক্ষে উক্ত বন্ধকি দলিল ও অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তার দলিল ভুয়া দলিল। জালিয়াতির মাধ্যমে এসব সৃজন করা হয়েছে। আরো বলা হয়, বন্ধকি জমির প্রকৃত মালিক ফরিদুল হাসানের ছদ্মবেশে ভুয়া ফরিদুল হাসানকে দিয়ে এসব দলিল সম্পাদন করা হয়েছে। অনুসন্ধানের সময় প্রকৃত জমির মালিক ফরিদুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করে দুদক। বাঁশখালীর রায়ছাটা এলাকার এই বাসিন্দা জমি বন্ধক দেওয়া সম্পর্কে অবগত নন বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে যাকে বন্ধকদাতা সাজানো হয়েছে তার কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
এজাহারে আরো বলা হয়, ভুয়া ফরিদুলকে ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাছে উপস্থাপন করেন নওজোয়ানের প্রধান নির্বাহী ইমাম হোসেন। দলিল মোসাবিদা করার সময় এবং হলফনামা সম্পাদনের সময়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন। ভুয়া ফরিদুলকে উপস্থাপন করে যাবতীয় দলিল সম্পাদন করা এবং নওজোয়ানের অনুকূলে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে এনজিওটির প্রধান নির্বাহী ইমাম হোসেনের প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে। তর্কিত জমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রকৃত মালিক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা, তথ্যের সত্যতা যাচাই, প্রকৃত মালিকের সাথে আলোচনাসহ প্রত্যক্ষ সাক্ষাৎ করে শনাক্ত করা দায়িত্ব হলেও ব্যাংক কর্মকর্তা কে এম এজাজ তা করেননি। প্রকৃত মালিকের সাথে তার সাক্ষাতের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ঋণ কর্মকর্তা হিসেবে কৌশিক রায় চৌধরীও শাখা ম্যানেজারের অথরাইজেশন ব্যতিরেকে বন্ধকি জমির প্রকৃত মালিককে অধিকতর যাচাই/শনাক্তকরণে তৎপর ছিলেন না। বন্ধকদাতা ভুয়া ফরিদুল সম্পর্কে যথাযথভাবে অবগত না হয়ে কেবল শাখা ম্যানেজারের অথরাইজেশনের উপর নির্ভর করে শনাক্তকারী হিসেবে যাবতীয় রেকর্ডপত্রে স্বাক্ষর করে তিনিও অপরাধ করেছেন বলে এজাহারে বলা হয়।
ডেস্ক রিপোর্ট