বৈঠকে শেখ হাসিনার রায়-পরবর্তী পরিস্থিতি, জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি, নির্বাচন উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি, বন্দি প্রত্যর্পণ, সাইবার অপরাধ দমন এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। উপদেষ্টা লোটজকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জার্মানি ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং ভবিষ্যতে তা আরও গভীর হবে।
নির্বাচনের তারিখ জানতে চাইলে উপদেষ্টা জানান, নির্বাচন যথাসময়ে হবে বলে আশা করা যায়, তবে নির্দিষ্ট দিন-তারিখ নির্ধারণের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যেকোনো তারিখ ঘোষণা করলেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত শেখ হাসিনার রায়-পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে উপদেষ্টা জানান, সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো অস্থিরতা দেখা যায়নি। পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন, অপরাধের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তা বাড়ছে না। তার দাবি—মানুষ এখন মুক্তভাবে মত প্রকাশ করতে পারছে, যা আগের ১৫ বছরে সম্ভব হয়নি।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক) খন্দকার মো. মাহাবুবুর রহমান ও জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন আনজা কেরস্টেন উপস্থিত ছিলেন।
ডেস্ক রিপোর্ট