ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ , ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আরও ৩৫৩ জন আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সুপারিশ তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে প্রস্তাব ৪ বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্য বৈঠক শেষ আজ, আলোচনায় শুল্ক ও বাণিজ্য ঘাটতি রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত বিক্রিয়া শুরু বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ এশিয়ার বাজারগুলোতে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি অবসরভাতা পেতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বন্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে খাদ্য নিরাপত্তায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক পাকিস্তান ও ভারতীয়দের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: WHO যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী

সরকারি স্কুলে ভর্তি আবারও লটারি, ৬৩% কোটা ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৫-১১-২০২৫ ০১:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-১১-২০২৫ ০১:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৫৪ বার পঠিত
সরকারি স্কুলে ভর্তি আবারও লটারি, ৬৩% কোটা ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক ছবি: সংগৃহীত
সরকারি স্কুলে নতুন শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থী ভর্তি লটারি পদ্ধতিতেই সম্পন্ন হবে। নীতিমালায় এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখার পর অভিভাবকদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কাঙ্ক্ষিত মানের স্কুলে সুযোগ পাওয়া পুরোপুরি ভাগ্যের ওপর নির্ভর করায় অনেকেই এটিকে শিক্ষায় সমান সুযোগের অন্তরায় হিসেবে দেখছেন। লটারি ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য ছিল প্রতিযোগিতা ও চাপ কমানো, কিন্তু বিভিন্ন কোটা বরাদ্দকে কেন্দ্র করে সমালোচনা আরও তীব্র হচ্ছে।
 
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নীতিমালায় আগের বছরের মতোই মোট আসনের ৬৩ শতাংশ বিভিন্ন কোটায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সবচেয়ে বড় অংশ—৪০ শতাংশ ক্যাচমেন্ট এলাকা কোটা। স্কুলসংলগ্ন এলাকার শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে এই ব্যবস্থা চালু থাকলেও কর্মসূত্রে রাজধানীতে অস্থায়ীভাবে থাকা অভিভাবকরা এটিকে বৈষম্যমূলক বলে মনে করছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই কোটা তাদের সন্তানদের সুযোগ সীমিত করে দেয়।
 
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বলছে, স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য অগ্রাধিকার রাখার মাধ্যমে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় সমতা নিশ্চিত করা সম্ভব। তবে বাস্তবে দুর্নীতি, ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার ও প্রত্যয়নপত্রে অনিয়ম নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। ক্যাচমেন্ট কোটায় আবেদন করতে বাধ্যতামূলক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার কারণে ভাড়াটিয়ারা প্রায়ই হয়রানির শিকার হন।
 
রাজধানীর মতিঝিল এলাকার বাসিন্দা আনিছুর রহমান জানান, গত বছর কাঙ্ক্ষিত স্কুলে তাঁর সন্তানের নাম লটারিতে ওঠেনি। একই অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন অভিভাবক ফাহমিদুল হক, যার অভিযোগ—অনেকে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করেন ও সুযোগ পেলে অর্থের বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
 
ক্যাচমেন্ট ছাড়াও বিশেষ কোটায় রয়েছে ২৩ শতাংশ আসন। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য ৫%, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরের কর্মীদের জন্য ১%, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য ১০%, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২%, একই স্কুলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর যমজ/সহোদরদের জন্য ৫%, এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাথমিক স্কুল থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ১০% আসন বরাদ্দ বাধ্যতামূলক।
 
নীতিমালায় উল্লেখ না থাকলেও প্রচলিত ‘অলিখিত কোটা’র আওতায় বদলি হয়ে আসা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয় বলে অভিভাবক ও কর্মকর্তারা মত দেন। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানরাও বাড়তি সুবিধা পান।
 
মাউশির এক কর্মকর্তা জানিয়ে বলেন, মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরের কর্মীদের জন্য থাকা কোটা বাস্তবে খুবই সীমিত, এবং এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায়। তাঁর দাবি, ক্যাচমেন্ট কোটায় অনিয়মের প্রমাণ রয়েছে, তাই কঠোরভাবে নিয়ম প্রয়োগ ছাড়া বিকল্প নেই।
 
মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) বি এম আব্দুল হান্নান বলেছেন, নীতিমালা অনুযায়ী এবারও লটারি পদ্ধতিতেই ভর্তি হবে। ভবিষ্যতে আপত্তি উঠলে বা নতুন প্রস্তাব এলে তা মন্ত্রণালয় বিবেচনা করতে পারে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।