সোমবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আনসার ও ভিডিপির সদস্যদের অংশগ্রহণে ভোটকেন্দ্র নিরাপত্তা মহড়া এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন সিইসি।
তিনি বলেন, “প্রচলিত ধারা ভেঙে নতুনভাবে সমস্যার সমাধান করতে হবে। আমি এই দায়িত্বকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা ছাড়া একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন কখনোই সম্ভব নয়।”
নির্বাচনে প্রায় ১০ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী যুক্ত থাকবেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “যারা প্রবাসে আছেন বা কারাগারে আছেন, তাদের জন্য এবার অ্যাপ-ভিত্তিক ভোট নিবন্ধনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার নিয়ে সতর্ক করে সিইসি বলেন, “কিছু অসাধু ব্যক্তি এআই ব্যবহার করে নির্বাচনে বিভ্রান্তি বা দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করতে পারে। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং তথ্য যাচাই করে শেয়ার করতে হবে। কমিশনও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।”
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, “আসন্ন নির্বাচন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাহিনীকে সর্বাত্মক প্রস্তুত করা হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় পাঁচ লাখ আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। গত এক বছরে বাহিনীতে নতুন করে এক লাখ ৪৫ হাজার সদস্য যোগ হয়েছেন, যা মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
ডেস্ক রিপোর্ট