রাজনৈতিক দলগুলোর হাতে জুলাই জাতীয় সনদের খসড়া, সংস্কার ও অঙ্গীকার নিয়ে ঐকমত্য
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৭-০৮-২০২৫ ১২:০০:২৭ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-০৮-২০২৫ ১২:০০:২৭ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৬১ বার পঠিত
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত জুলাই জাতীয় সনদের চূড়ান্ত খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর হাতে পৌঁছেছে। শনিবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে এ খসড়া দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান একটি ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যার ভিত্তিতে রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কারে দলগুলো ৮৪ দফা বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০১
খসড়ায় সনদের পটভূমি, রাজনৈতিক সংস্কার সংক্রান্ত আলোচ্য বিষয় এবং বাস্তবায়নের জন্য আটটি অঙ্গীকারনামা যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—সংবিধান সংস্কার, নির্বাচন ব্যবস্থা পুনর্গঠন, বিচার বিভাগ ও প্রশাসনে পরিবর্তন, দুর্নীতি দমন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা।
এখানে বলা হয়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এবং ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থানকালীন অভিজ্ঞতা আইনি কাঠামোর বাইরে থেকেও রাজনৈতিক ঐকমত্যের মাধ্যমে বৈধতা পেয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলন ঘটেছে, যা “জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫”–এর মাধ্যমে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক স্বীকৃতি পাচ্ছে।
অঙ্গীকারনামায় দলগুলো একমত হয়েছে যে জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র সুসংহতকরণ এবং অভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের মর্যাদা প্রদানের পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া সংবিধান ও বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে সনদের প্রতিটি প্রস্তাব ও সুপারিশ বাস্তবায়ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই জাতীয় সনদ সম্পর্কিত কোনো প্রস্তাবের বৈধতা আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন বা নতুন আইন প্রণয়ন অবিলম্বে শুরু হবে। বিশেষভাবে বলা হয়েছে, যে সকল সুপারিশ অতি দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য সেগুলো পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই কার্যকর করতে হবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।