জনগণের রায় অগ্রাহ্য করলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির
সাত দফা দাবি আদায়ে ১১ দলের লংমার্চের পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
- আপলোড সময় : ৩১-১০-২০২৬ ০৩:০৪:১৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩১-১০-২০২৬ ০৩:০৪:১৮ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৭ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
জনগণের রায় ও ভোটের প্রতি সম্মান না দেখালে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে সতর্ক করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের দেওয়া রায় মেনে নিলে সরকার সম্মানিত হবে। অন্যথায় শুধু অপমানিত হওয়ার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকবে না।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সাত দফা দাবি আদায়ে ১১ দলের উদ্যোগে আয়োজিত লংমার্চের পথসভায় মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া এলাকায় পদ্মা সেতুর কাছে বক্তব্য দেন তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও সারসংকট নিরসন এবং দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ সাতটি দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
এটি সাত দফা দাবিতে ১১ দলের তৃতীয় লংমার্চ উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, তাঁদের দাবি সুস্পষ্ট এবং তাঁরা জনগণের দাবি নিয়েই রাজপথে নেমেছেন। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষের দেওয়া রায় বাস্তবায়নকে তাঁরা প্রধান দাবি হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, এই দাবি কার্যকর হলে বাকি ছয় দফাও স্বাভাবিকভাবে বাস্তবায়িত হবে। জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান।
সংক্ষিপ্ত পথসভা শেষে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে লংমার্চের গাড়িবহর ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ধরে পদ্মা সেতু পার হয়ে খুলনার উদ্দেশে যাত্রা করে।
এর আগে শনিবার সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় আয়োজিত আরেকটি পথসভায় বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান। সেখানে তিনি পরিস্থিতি জটিল না করে জনগণের মতামতকে সম্মান জানিয়ে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান। জনগণের রায় বাস্তবায়িত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ওই পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চের গাড়িবহর যাত্রা শুরু করে। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও খুলনা পেরিয়ে রূপসা সেতু পার হয়ে যশোর ও কুষ্টিয়ার দিকে যাওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।
আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ৪২৫ কিলোমিটারের এই লংমার্চে ১৯টি জেলা অতিক্রম করার কথা রয়েছে। যাত্রাপথে বিভিন্ন স্থানে একাধিক পথসভাও আয়োজন করা হয়েছে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।