অগ্রণী ব্যাংকে ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ, দুদকের হাতে ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী
৯১ গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা ২০০ ছাড়ানোর আশঙ্কা
- আপলোড সময় : ০৯-১০-২০২৬ ০৭:২৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-১০-২০২৬ ০৭:২৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৯ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
অতিরিক্ত সুদের প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া এফডিআর তৈরি, চেক জালিয়াতি ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য পরিবর্তনের মাধ্যমে ৯১ গ্রাহকের ৮ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৮২৬ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অগ্রণী ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
দুদকের সহকারী পরিচালক মাহাথীর মোহাম্মদ সামী ও উপসহকারী পরিচালক মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ক্যাশ অফিসার মো. জিন্নাহ হোসেন, সাবেক ব্যবস্থাপক ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার রেজাউল হক, সাবেক ব্যবস্থাপক ও প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শরীফ উদ্দীন, নিরাপত্তাকর্মী রঞ্জু আহমেদ এবং সাময়িক বরখাস্ত হওয়া নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল হাই। তাঁদের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত ৯১ জন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের কয়েকজনের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে ৮ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৮২৬ টাকা আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি।
অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রাহকদের বেশি সুদ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া স্থায়ী আমানত রসিদ (এফডিআর) তৈরি করা হতো। পরে চেক জালিয়াতি, ভুয়া জমা স্লিপ তৈরি এবং ব্যাংক হিসাবের তথ্য পরিবর্তনের মাধ্যমে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধান এখনো চলমান। এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সংস্থাটির ধারণা, এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে আত্মসাতের অর্থের পরিমাণও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের প্রকৃত সংখ্যা ও আত্মসাতের অর্থের পরিমাণ নির্ধারণে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। অনুসন্ধান শেষে এ ঘটনায় মামলা করার কথা জানিয়েছে দুদক।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।