রংপুরে চার খুন: দুই আসামির ডিএনএ মিলেছে জব্দ করা আলামতে
সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষায় মিল, তদন্ত শেষে দেওয়া হবে অভিযোগপত্র
- আপলোড সময় : ০৯-১০-২০২৬ ০৭:০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৯-১০-২০২৬ ০৭:০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৫ বার পঠিত
ছবি সংগৃহীত
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় জব্দ করা আলামতে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) জানিয়েছে, ফরেনসিক পরীক্ষায় পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডির রংপুর অফিসের বিশেষ পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী। তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা ৩৫টি আলামতের মধ্যে কামড়ানো খেজুর, খেজুরের বিচি, কামড়ানো শসা ও সিগারেটের অবশিষ্টাংশে পাওয়া ডিএনএর সঙ্গে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডিএনএ নমুনার মিল পাওয়া গেছে। এসব আলামতে দুই পুরুষের ডিএনএর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।
এর আগে, যমুনা টেলিভিশনে এ-সংক্রান্ত সংবাদ প্রচারের পর গত ২০ সেপ্টেম্বর রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা দুই আসামিকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য ঢাকায় সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার ১২ দিন পর তিন দফায় জব্দ করা আলামত পরীক্ষার জন্য সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। পরীক্ষায় কয়েকটি আলামতে পুরুষের ডিএনএর উপস্থিতি পাওয়ার পর সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের নমুনা সংগ্রহ করে সেগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট ভোররাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়িতে খুন হন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী। এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রশিদ জানান, সিআইডির পরীক্ষার মাধ্যমে মামলাটিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্য পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে এ মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।