ডিজিটাল যুগে শিশুদের পড়াশোনার সঙ্গে প্রযুক্তির সম্পর্ক দিন দিন ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। অনলাইন ক্লাস, শিক্ষামূলক ভিডিও, ই-বুক এবং বিভিন্ন শেখার অ্যাপ এখন অনেক শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন শিক্ষাজীবনের অংশ। তবে প্রযুক্তির সুবিধার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিনোদনমূলক অ্যাপের কারণে মনোযোগ বিচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। এ কারণে শিশুদের জন্য নিয়ন্ত্রিত একটি ট্যাব ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।
পড়াশোনার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ট্যাবে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় শিক্ষামূলক ডিজিটাল বই, অভিধান বা শেখার উপকরণ রাখা যেতে পারে। এতে শিশুরা প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে পেতে পারে এবং প্রযুক্তিকে শেখার সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।
অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অপ্রয়োজনীয় গেম বা মনোযোগ নষ্ট করে এমন অ্যাপ যাতে না থাকে সেটি খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনো সিমও রাখা যাবে না।
তবে শুধুমাত্র একটি ট্যাব হাতে তুলে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। অভিভাবকদের উচিত ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করা, কী ধরনের কনটেন্ট দেখা হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপত্তার দিকে খেয়াল রাখা।
মনে রাখা প্রয়োজন, প্রযুক্তি শিশুদের শেখার সুযোগ বাড়াতে পারে, কিন্তু এর ব্যবহার হতে হবে সচেতন ও উদ্দেশ্যভিত্তিক।