অপ্রতিম হত্যা: দ্রুত গ্রেপ্তার, দ্রুত বিচারের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দ্রুত আলামত সংগ্রহ ও সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে পুলিশের প্রশংসা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- আপলোড সময় : ২০-০৯-২০২৬ ০৩:২৭:৫৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-০৯-২০২৬ ০৩:২৭:৫৯ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১২০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ঘটনার পর দ্রুত আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে মামলার তদন্ত প্রতিবেদনও দ্রুত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় তিনি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর প্রায় ২২ ঘণ্টার মধ্যে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর দ্রুত সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলেও জানান তিনি। তবে তাদের বয়স ও পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কয়েকজন অপ্রতিমের চেয়ে পাঁচ থেকে ১০ বছর বয়সে বড়। তাদের সঙ্গে অপ্রতিমের বন্ধুত্ব ও নিয়মিত ওঠাবসা ছিল বলেও তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা আইফোনটিও প্রধান সন্দেহভাজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং সেগুলোর ফরেনসিক বিশ্লেষণ চলছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার পাশাপাশি মামলাটির বিচার দ্রুত শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে পুলিশ। বিচারিক প্রক্রিয়া আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডকে মর্মান্তিক ঘটনা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এমন ঘটনার রহস্য দ্রুত উদঘাটন করা জরুরি। তিনি পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেন, ঘটনাটির পারিপার্শ্বিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ এবং আলামত উদ্ধারে পুলিশ দ্রুত কাজ করেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়েছিল অপ্রতিম। এরপর তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ওই দিনই সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা।
নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় তার সন্ধানে তল্লাশি চালায়। প্রায় ২২ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সানন্দা এলাকার লালমাই পাহাড়ঘেঁষা একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।