হামলা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সাথে বৈঠক সৌদির
জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গোয়েন্দা সহায়তা পেতে এবং লোহিত সাগর ও কৌশলগত জলপথে হুথিদের হুমকি মোকাবিলা করতে রিয়াদ এই যোগাযোগ জোরদার করেছে।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৭-০৯-২০২৬ ০৩:০৫:১৪ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৭-০৯-২০২৬ ০৩:০৫:১৪ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৮১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
হুথিদের ক্রমবর্ধমান হামলা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে গোপন বৈঠক ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
আঞ্চলিক কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট।
তাদের দাবি, মূলত গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে রিয়াদের সঙ্গে এই যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের তেল পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশনে হুথিদের ড্রোন হামলার পর ইসরায়েলের সঙ্গে এই যোগাযোগ আরও জোরদার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া ইয়েমেন সীমান্তসংলগ্ন একটি মসজিদের ভেতরে থাকা সৌদি বেসামরিক নাগরিকদের ওপরও হুথিরা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
একই সময়ে লোহিত সাগরের কৌশলগত কয়েকটি দ্বীপ দখল করে হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথে সৌদি জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে হুথিরা—এমন দাবিও করা হয়েছে।
এতে সৌদি আরব বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের কাছ থেকে গোয়েন্দা সহায়তা চাইছে সৌদি আরব।
গোপন আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হিসেবে হুথিদের সামরিক তৎপরতা ও অবস্থান সম্পর্কে রিয়াদকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের বিষয়টি উঠে এসেছে।
এর আগে হরমুজ প্রণালির আশপাশে ইরানি বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের উন্নত গোয়েন্দা সক্ষমতা কাজে লাগিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে হুথিদের মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের কাছেও সামরিক সহায়তা চেয়েছে সৌদি আরব। এর অংশ হিসেবে ব্রিটিশ সামরিক উপদেষ্টারা সৌদি আরবে সহায়তার জন্য কাজ করতে পারেন বলেও জানা গেছে।
এদিকে সৌদি আরবকে বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তোলার অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে ইসরায়েলি নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে উত্থাপন করা হলে তিনি স্পষ্ট করে জানান, সৌদি আরবের পারমাণবিক কর্মসূচির অগ্রগতি ইসরায়েলের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ওপর নির্ভর করছে।
অন্যদিকে ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় যেতে চায় না সৌদি কর্তৃপক্ষ।
তবে মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা অভিন্ন হুমকির মুখে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের অভিন্ন নিরাপত্তা স্বার্থের কারণে শিগগিরই দুই দেশের মধ্যে নতুন কোনো রূপরেখা বা কূটনৈতিক চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহল।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।