ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আগুন, তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি
লিফটে আগুনের পর মৃত্যুর ঘটনায় প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে তদন্ত শুরু
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৫-০৯-২০২৬ ১২:৫৭:৩০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০৯-২০২৬ ১২:৫৭:৩০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ২৮ বার পঠিত
ছবি সংগৃহিত
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের নির্মাণাধীন লিফটে অগ্নিকাণ্ডের পর মৃত্যুর ঘটনা খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে গঠিত এই কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক গোলাম রহমানকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মাইনউদ্দীন খান, ফায়ার সার্ভিসের একজন সহকারী পরিচালক, গণপূর্ত বিভাগের একজন নির্বাহী প্রকৌশলী এবং গণপূর্ত বিভাগের বিদ্যুৎ বিভাগের একজন প্রকৌশলী।
এর আগে সোমবার সন্ধ্যার পর ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের একটি নির্মাণাধীন লিফটে আগুন লাগে। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে রোগী, স্বজন, চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। অনেকে সিঁড়ি দিয়ে দ্রুত নিচে নামার সময় আহত হন।
ঘটনার পর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে প্রশাসনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন। যাচাই শেষে বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অগ্নিকাণ্ডের সময় পদদলিত হয়ে কারও মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবীর জানান, মৃত্যুর তালিকায় থাকা কয়েকজনের মধ্যে দুজন স্বাভাবিকভাবে মারা গেছেন বলে তাঁদের পরিবার নিশ্চিত করেছে। অন্য দুজনের মৃত্যুর কারণ তখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বিভাগীয় কমিশনার আরও জানান, হাসপাতালের রেজিস্ট্রার, চিকিৎসক, কর্মী এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য যাচাই করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ চিকিৎসকদের প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানা যাবে। একই সঙ্গে তদন্তের মাধ্যমে কারও অনিয়ম বা দায় পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হাসপাতালের স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার বলেন, লিফটটি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট ছিল। হাসপাতালের আনসার ও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, সিগারেটের আগুন অথবা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ, মৃত্যুর সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তা স্পষ্ট হওয়ার কথা রয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
সর্বশেষ সংবাদ
এ জাতীয় আরো খবর