ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে ধর্ম ও সমাজের অস্তিত্বের প্রতি হুমকি: আশরাফুল আলম
হিজড়া ও ট্রান্সজেন্ডার এক বিষয় নয় উল্লেখ করে ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে এবং পশ্চিমা এজেন্ডা বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের নীরবতা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলনের যুগ্মমহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম।
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ৩১-০৭-২০২৬ ০৯:৩৮:২৮ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩১-০৭-২০২৬ ০৯:৩৮:২৮ অপরাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ১১৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে ধর্ম-সমাজের অস্তিত্বের প্রতি হুমকি। সমাজের ভিত্তিমূলক মূল্যবোধ রক্ষায় রাষ্ট্রকে ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
তিনি বলেন, আমাদের হাজার বছরের সামাজিক পুঁজি, ধর্মীয় অনুভূতি ও পারিবারিক বন্ধনের সূত্রকে কলুষিত করার অধিকার কারো নেই। এ ব্যাপারে রাষ্ট্রের নীরবতায় দেশের সচেতন সমাজ শঙ্কিত। সমাজের এই ভিত্তিমূলক মূল্যবোধ রক্ষায় রাষ্ট্রকে ভূমিকা নিতে হবে।
তিনি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
আশরাফুল আলম বলেন, নারী-পুরুষের বাইরে তৃতীয় লিঙ্গ বলে যা আছে তা একটি বিরল ধরনের জেনেটিক বিষয়। এরা আমাদের সমাজে হিজড়া বলে পরিচিত। তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি আছে, সম্মান আছে। কিন্তু হিজরা আর ট্রান্সজেন্ডার এক বিষয় না। একটা জন্মগত অপূর্ণাঙ্গতা আরেকটা ইচ্ছাকৃত বিকৃতি।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রের নীরবতা এই ইচ্ছাকৃত বিকৃতিকে প্রকারান্তরে স্বীকৃতি দান করে যা নারী-পুরুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে। ট্রান্সজেন্ডার বা এলজিবিটিকিউ কেন্দ্রীক রাজনৈতিক এজেন্ডার জন্ম পশ্চিমা জগতে। পশ্চিমা এই এজেন্ডা আমাদের সমাজ-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিরোধী। সেজন্য ট্রান্সজেন্ডার বিয়ে আমাদের অস্তিত্বের প্রতি হুমকি। এই ধরনের বিকৃতিকে প্রশ্রয় দেওয়ার সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের নীরবতায় দেশের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে পারে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।