ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ , ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার লাওসে চীনের নতুন সামরিক ঘাঁটি, বাড়ছে আঞ্চলিক উদ্বেগ সোনা-হীরা চোরাচালান মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড হাইকোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার মহড়া বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব, বিশ্বের জন্য সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: দেশের অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি যুবসমাজ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

গাজার স্বাধীনতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অস্ত্র ছাড়বে না হামাস

গাজ্জা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা নিশ্চিত হওয়ার আগে অস্ত্র ছাড়বে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ৩১-০৭-২০২৬ ০৯:৩৩:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩১-০৭-২০২৬ ০৯:৩৩:১৮ অপরাহ্ন
  • ৩ মিনিট পড়ার সময়
  • ১২০ বার পঠিত
গাজার স্বাধীনতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অস্ত্র ছাড়বে না হামাস ছবি: সংগৃহীত
গাজ্জা থেকে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং ভূখণ্ডটির স্বাধীনতা নিশ্চিত হওয়ার আগে অস্ত্র ছাড়বে না ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। সংগঠনটির শীর্ষ নেতা গাজী হামাদ এ কথা জানিয়েছেন।
 
তিনি বলেন, নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় ইসরাইলের কোনো ভূমিকা থাকবে না। বরং একটি ফিলিস্তিনি জাতীয় কমিটির মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
 
শুক্রবার (৩১ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
 
গাজী হামাদ বলেন, ‘আমরা মধ্যস্থতাকারীদের কাছে জোর দিয়ে বলেছি, ইসরাইলকে অবশ্যই চুক্তি মেনে চলতে হবে।’
 
তিনি আরও বলেন, গাজ্জা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা টেকনোক্র্যাটিক কমিটি এবং আন্তর্জাতিক বাহিনীকে ভূখণ্ডটির ভেতরে থাকা ইসরাইল-সমর্থিত মিলিশিয়াদের বিলুপ্ত করার প্রক্রিয়া তদারক করতে হবে।
 
গত বছরের অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি হামাস মেনে চলেছে। তবে ইসরাইল চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজ্জায় অব্যাহত বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। এসব হামলায় এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
 
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্যানুযায়ী, হামাসের সূত্রগুলো জানিয়েছে, গাজ্জা পরিচালনার জন্য বোর্ড অব পিসের গঠিত ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটিক কমিটিই হামাসের অস্ত্র ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের প্রক্রিয়া তদারককারী একমাত্র কর্তৃপক্ষ হবে।
 
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া পৃথক বক্তব্যে হামাস পুনর্ব্যক্ত করেছে, ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহারের পাশাপাশি গাজ্জায় ত্রাণ ও পণ্য প্রবেশের পরিমাণ বাড়ানোর শর্তেই অস্ত্র হস্তান্তর করা হবে।
 
এর আগে শুক্রবার বোর্ড অব পিস ঘোষণা করে, গাজ্জা যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপগুলো বাস্তবায়নের বিস্তারিত কাঠামোয় হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি দিয়েছে।
 
এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, ‘সামগ্রিক শান্তি পরিকল্পনা এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবে নির্ধারিত গাজ্জায় নতুন শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা, পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গিকে এগিয়ে নিতে কয়েক মাসের নিবিড় ও সদিচ্ছাপূর্ণ আলোচনার মধ্য দিয়ে এ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।’
 
বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, হামাস অস্ত্র ত্যাগ করবে এবং এরপর ইসরাইল সেনাবাহিনী গাজ্জা থেকে প্রত্যাহার করবে।
 
এ বিষয়ে ইসরাইলি কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার মন্ত্রীরা বারবার ঘোষণা করেছেন, ইসরাইলি বাহিনী অবরুদ্ধ গাজ্জা ছেড়ে যাবে না। সেখানে ইসরাইলি সেনারা গণহত্যামূলক যুদ্ধ ও জাতিগত নির্মূল অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
 
গত মে মাসে নেতানিয়াহু গাজ্জার ৭০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইসরাইলি পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন।
 
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আমরা গাজ্জা উপত্যকার ৬০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছি। আমার নির্দেশনা হলো, ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণের দিকে এগিয়ে যাওয়া।’
 
গাজ্জায় চলমান গণহত্যায় এ পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে ইসরাইল। আরও কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন এবং তাদের মৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
 
প্রায় ২০ লাখ মানুষের আবাসস্থল গাজ্জাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইসরাইল। ভূখণ্ডটির প্রায় ৯০ শতাংশ বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই স্যানিটেশন সুবিধাবিহীন জনাকীর্ণ তাঁবুতে বসবাস করছেন।
 
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।