দেশজুড়ে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ে বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের কিছু এলাকায় মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, আর রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
রোববার (২ আগস্ট) রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে বিচ্ছিন্নভাবে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সোমবার (৩ আগস্ট) ও মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। ৪ আগস্ট দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে চট্টগ্রামের মাইজদীকোর্টে। একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে সৈয়দপুরে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটে, ২৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সিনপটিক অবস্থার তথ্যে বলা হয়েছে, পশ্চিম মধ্য ছত্তিশগড় ও এর আশপাশে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি বিদর্ভ ও সংলগ্ন দক্ষিণ মধ্যপ্রদেশ এলাকায় অবস্থান করছে। সিস্টেমটি আরও পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি মাঝারি অবস্থায় আছে।
ডেস্ক রিপোর্ট