এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটির কারণে দেশে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যার ফলে সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে শুরু করে শিল্পখাত পর্যন্ত সর্বত্র ভোগান্তি বাড়ছে।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে সারাদেশে।
রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোর অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। অনেক স্টেশন সরবরাহ না থাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে, আর যেগুলো চালু রয়েছে সেখানেও পর্যাপ্ত গ্যাসচাপ নেই। ফলে প্রতিটি পাম্পেই দীর্ঘ যানবাহনের সারি তৈরি হয়েছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চালকদের অনেক সময় প্রয়োজনীয় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।
প্রখর রোদ ও ভ্যাপসা গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। গ্যাস সংকটের কারণে যানবাহন চালাতে না পারায় পরিবহন খাতে কর্মরত অনেকের আয় কমে গেছে, যা তাদের জীবিকায় সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
শিল্পখাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বিশেষ করে পোশাক কারখানা, ডাইং ও নিটিং শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। জ্বালানির অভাবে উৎপাদন কমে যাওয়ায় রপ্তানিমুখী খাতগুলো ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ অবস্থায় দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট খাতের উদ্যোক্তারা।
ডেস্ক রিপোর্ট