ঢাকা , রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬ , ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) , ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
ছাদে সোলার প্যানেল বসালেই মিলবে কর ছাড় হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোয় তাহসিফকে হত্যার সন্দেহ লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন ফের নাকচ কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ডিএসসিসি বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের তুরাগ নদে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, থাকছে ১৭ সদস্য খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সোহাগের ৩ দিনের রিমান্ড রমজান সামনে রেখে বাড়ছে নিত্যপণ্যের আমদানি, কমেছে কয়েকটির দাম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ শুধু আইনে সড়ক নিরাপদ হবে না, প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ: ইলিয়াস কাঞ্চন টঙ্গীতে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার দিল্লি এড়িয়ে রুবিওর ভারত সফর, বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ ৯৭ শতাংশ কাজ শেষ, তবু বাতিল বিআরটি প্রকল্প রাজধানীর যানজট নিরসনে সরকারের চার বড় উদ্যোগ ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সরকার

তিব্বতে ব্রহ্মপুত্রের ওপর চীনের মেগা বাঁধ, বাড়ছে ভারতের উদ্বেগ

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ১৯-০৬-২০২৬ ১০:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-০৬-২০২৬ ১০:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৮৩ বার পঠিত
তিব্বতে ব্রহ্মপুত্রের ওপর চীনের মেগা বাঁধ, বাড়ছে ভারতের উদ্বেগ ছবি: সংগৃহীত
তিব্বতে ইয়ারলুং সাংপো (যা ভারতে ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত) নদীর ভাটি অঞ্চলে বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু করেছে চীন। ভারত সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে এই বিশাল বাঁধ নির্মাণের গতি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নয়াদিল্লির জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য এবং স্যাটেলাইট চিত্রে এই তৎপরতার প্রমাণ মিলেছে। সীমান্ত নদীগুলোর উজানে এমন বিশাল বাঁধ নির্মাণের ফলে ভাটির দেশগুলোতে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে ভারত।
 
তিব্বতে উৎপন্ন হওয়া এই ইয়ারলুং সাংপো নদীটি অরুণাচল প্রদেশ দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে ‘সিয়াং’ নাম ধারণ করেছে। এরপর আসামের ওপর দিয়ে ‘ব্রহ্মপুত্র’ হয়ে প্রবাহিত এই নদীটি কোটি কোটি ভারতীয়র জীবন ও জীবিকার প্রধান উৎস। ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে সরকার এই প্রকল্পের ওপর কড়া নজর রাখছে।
 
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মেগা বাঁধের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে এবং পলিমাটি জমে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। সেই সঙ্গে ভাটি অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা বা খরা সৃষ্টির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া, কৌশলগতভাবে এই বাঁধের মাধ্যমে নদী নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বেইজিংয়ের হাতে চলে গেলে যেকোনো দ্বিপাক্ষিক বিরোধের সময় চীন অতিরিক্ত সুবিধা পেয়ে যেতে পারে।
 
অবশ্য বেইজিং বরাবরই দাবি করে আসছে যে তাদের এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য কেবলই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা এবং এর ফলে ভারতসহ ভাটির অন্য কোনো দেশের ক্ষতি হবে না। তবে নয়াদিল্লি এই আশ্বাসে হাত গুটিয়ে বসে নেই। ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং সংসদে জানিয়েছেন যে সরকার কয়েক দশক ধরেই এই প্রস্তাবিত মেগা বাঁধের ওপর নজর রাখছে, যার পরিকল্পনা চীন ১৯৮৬ সালেই প্রকাশ করেছিল। ভারতের স্বার্থ এবং সীমান্ত এলাকার নাগরিকদের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সরকার সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে।
 
নদীকেন্দ্রিক এই বিরোধপূর্ণ বিষয়টি ২০০৬ সালে গঠিত বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের ব্যবস্থার মাধ্যমে চীনের কাছে বারবার তুলে ধরা হয়েছে। এমনকি ২০১৫ সালের জুলাই মাসে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও বেইজিংয়ের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে এই বিষয়ে ভারতের উদ্বেগের কথা স্পষ্টভাবে জানান।
 
কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি, এই বাঁধের কারণে ভবিষ্যতে কোনো বিপর্যয় নেমে আসলে তা মোকাবিলা করার জন্য নিজেদের সক্ষমতা ও প্রস্তুতি জোরদার করার দিকেও বিশেষ নজর দিচ্ছে ভারত।

নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।