ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) , ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
সংবাদ শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ: আরও ১০০ প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ পদ্মা জেনারেলে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ: ডাক্তারহীন এনআইসিইউ বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য বেচাকেনার অভিযোগে কেরানীগঞ্জে গ্রেপ্তার ১ ভারতকে পেছনে রেখে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্র তরুণ আলেম মো. জুনায়েদ আল হাবিব ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন সম্পত্তি হস্তান্তর বিল-২০২৬ কুরআন ও সুন্নাহর পরিপন্থী দাবি হেফাজতের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েছে ৫০০ ইসরায়েলি কেশমের কাছে ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলার দাবি, নিহত ১ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন নিয়ে রিট খারিজ নবম পে স্কেলে বেতন পেতে তথ্য দিতে হবে আইবাসে চীনে বাড়ছে পেট্রোল ডিজেলের দাম সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগ আওয়ামী লীগ আমলে ঋণের হিসাবেও গড়মিল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ইউরোপে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা, শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তে জামায়াত সেক্রেটারির গভীর উদ্বেগ মিথ্যা ঘোষণায় চকবাজারের প্রতিষ্ঠানের সাড়ে পাঁচ হাজার কেজি প্রসাধনী আটক আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অধিবেশন শেষ, সামনে বড় প্রশ্ন—সংবিধান সংশোধন নাকি সংস্কার?

নিউজটি শুনুন
  • আপলোড সময় : ০২-০৫-২০২৬ ১১:৩৩:১৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৫-২০২৬ ১১:৩৩:১৯ পূর্বাহ্ন
  • ২ মিনিট পড়ার সময়
  • ৪১ বার পঠিত
অধিবেশন শেষ, সামনে বড় প্রশ্ন—সংবিধান সংশোধন নাকি সংস্কার? ছবি সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শেষ হয়েছে, তবে এর পরই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে জোরালো হয়ে উঠেছে একটি মৌলিক প্রশ্ন—সংবিধান কি শুধু সংশোধন হবে, নাকি প্রয়োজন আমূল সংস্কার?

২৫ কার্যদিবসের এই অধিবেশন শেষে সংসদ থেকে রাজপথ—সব জায়গাতেই এখন এই বিতর্ক কেন্দ্রবিন্দুতে। সরকার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজছে, আর বিরোধী দলগুলো সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও তাদের অবস্থান জোরালো করার ঘোষণা দিচ্ছে।

সদ্য সমাপ্ত এই অধিবেশনটি বেশ কিছু কারণে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও চিফ হুইপসহ মোট ২২০ জন সদস্যই প্রথমবারের মতো সংসদে যোগ দেন, যা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। দীর্ঘ সময় পর তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণও ছিল লক্ষণীয়।

অধিবেশনের উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে ছিল জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বিরল ঐকমত্য। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৪০ ঘণ্টার বেশি আলোচনা হয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ছুটির দিনেও সংসদ কার্যক্রম চালানো হয়েছে।

তবে এত কার্যক্রমের মধ্যেও সংবিধান ইস্যুই হয়ে উঠেছে মূল বিতর্কের কেন্দ্র। এ লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে ১৭ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে, যদিও বিরোধী দলগুলো এখনো এতে যোগ দেয়নি।

জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সংশোধনের চেয়ে সংস্কারের দাবি এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন জানান, দাবির পক্ষে রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

অন্যদিকে সরকার আশা করছে, বিরোধী দলগুলো শেষ পর্যন্ত আলোচনায় অংশ নেবে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে তারা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বিএনপি নেতারা আলোচনার ওপর জোর দিচ্ছেন। ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, সংকটের সমাধান রাজপথে নয়, আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব। একই সুরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে জামায়াত জানিয়েছে, বিশেষ কমিটিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নীতিনির্ধারণী বৈঠকে নেওয়া হবে।

আগামী ১ জুন সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগেই সংবিধান সংস্কার ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে দূরত্ব কমতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।