ইরানের সঙ্গে গোপন চুক্তির গুজব উড়িয়ে দিল কাতার
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ১৫-০৪-২০২৬ ১০:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৫-০৪-২০২৬ ১০:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৩৮ বার পঠিত
ইরানের সঙ্গে গোপন চুক্তির গুজব নাকচ করেছে কাতার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যে বলা হয়েছে, এসব তথ্য ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।
ইরানের সঙ্গে গোপন চুক্তির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘সুনাম নষ্টের অপচেষ্টা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে কাতার। দেশটির সরকারের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি স্পষ্ট করে বলেছেন, সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে দোহা তেহরানের সঙ্গে কোনো একতরফা বা গোপন আলোচনায় জড়ায়নি। বরং আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
মাজেদ আল আনসারি বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে কোনো একমুখী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।’
সংকট মোকাবিলায় কাতার একা কাজ করছে, এমন ধারণাও নাকচ করে দিয়েছেন মাজেদ। তিনি জানান, এই পদক্ষেপ অঞ্চলজুড়ে সমন্বিতভাবে নেওয়া হচ্ছে। যুদ্ধ বন্ধে কোনো আর্থিক ব্যবস্থার দাবিও তিনি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
মাজেদ বলেন, কাতার আগে থেকেই গালফ অঞ্চলের দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে আসছে। দেশটি যেকোনো হামলাকে নিজের সার্বভৌমত্বের প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখে। এর জবাবও সম্মিলিতভাবে হতে হবে বলে মনে করে।
পাশাপাশি হরমুজ প্রণালীকে ‘দরকষাকষির হাতিয়ার’ করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্ক অবস্থানে কাতার। দেশটি কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরুর পক্ষে বলে জানিয়েছে। তবে পাকিস্তানের নেতৃত্বে মধ্যস্থতা করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টাতেও কাজ করছে দোহা।
মাজেদ আল আনসারি বলেন, দোহা আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রেখেছে। চলমান আলোচনাকে সমর্থন করে জানিয়ে যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে বৃহত্তর নিষ্পত্তির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তার মতে, ‘এটা শুধু একটা বিরতি এবং তারপর আবার উত্তেজনা বৃদ্ধি হবে, এমনটা হতে পারে না। মূলত প্রয়োজন হলো- একটি সমন্বিত সমাধান, যা সব পক্ষের উদ্বেগজনক বিষয়গুলো বিবেচনা করবে।’
গত ১৩ এপ্রিল জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি জাতিসংঘের মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্টের কাছে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডানের কাছে ইরানের যুদ্ধকালীন ধ্বংসযজ্ঞের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন ওঠে, কাতার ইরানের সঙ্গে গোপনে আর্থিক লেনদেনের আলোচনা করছে।
এদিকে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সংকটের প্রভাব ইতোমধ্যে অনুভূত হলেও, কাতার এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সরকারের মুখপাত্র। তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও আমাদের অর্থনীতিকে বড় ধরনের প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছি। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিকল্পনাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।