ট্রাম্পের হুমকির মুখেও দমে নেই ইরান: যুদ্ধের মাঝেই খারগ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি বৃদ্ধি
নিউজটি শুনুন
- আপলোড সময় : ০৬-০৪-২০২৬ ০১:১৬:৪১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৬-০৪-২০২৬ ০১:১৬:৪১ পূর্বাহ্ন
- ১ মিনিট পড়ার সময়
- ৬০ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেও ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি বেড়েছে। দেশটির গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
ইরানের ইসনা সংবাদ সংস্থা দেশটির পার্লামেন্টের জ্বালানি কমিশনের প্রধান মুসা আহমাদির বরাতে জানায়, ‘খারগ দ্বীপে সফর ও বৈঠক শেষে আমি বলতে পারি, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তেল রপ্তানি কমেনি, বরং বেড়েছে।’
ইরানের পশ্চিম উপকূলের কাছে অবস্থিত খারগ দ্বীপ দেশটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধে দ্রুত কোনো চুক্তি না হলে এবং হরমুজ প্রণালি ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ পুনরায় চালু না করা হলে তিনি এই দ্বীপটি ধ্বংস করে দিতে পারেন।
গত ১৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, তারা দ্বীপটিতে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বোমা হামলা চালিয়েছে, তবে সেখানে থাকা তেল অবকাঠামোতে আঘাত করা থেকে বিরত থেকেছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে, বিশেষ করে ইরানের কোনো একটি দ্বীপকে লক্ষ্য করে। তারা এমন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বারবার সতর্কবার্তা দিয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২
ইরানের ইসনা সংবাদ সংস্থা দেশটির পার্লামেন্টের জ্বালানি কমিশনের প্রধান মুসা আহমাদির বরাতে জানায়, ‘খারগ দ্বীপে সফর ও বৈঠক শেষে আমি বলতে পারি, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তেল রপ্তানি কমেনি, বরং বেড়েছে।’
ইরানের পশ্চিম উপকূলের কাছে অবস্থিত খারগ দ্বীপ দেশটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধে দ্রুত কোনো চুক্তি না হলে এবং হরমুজ প্রণালি ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ পুনরায় চালু না করা হলে তিনি এই দ্বীপটি ধ্বংস করে দিতে পারেন।
গত ১৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, তারা দ্বীপটিতে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বোমা হামলা চালিয়েছে, তবে সেখানে থাকা তেল অবকাঠামোতে আঘাত করা থেকে বিরত থেকেছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে, বিশেষ করে ইরানের কোনো একটি দ্বীপকে লক্ষ্য করে। তারা এমন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বারবার সতর্কবার্তা দিয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।