সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সংস্থাটি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছে। একই দিন ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসও পৃথক বার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানায়।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্যে জানানো হয়, কম্পনটির উৎপত্তি নরসিংদীর মাধবদী এলাকায়, যা আগারগাঁও সিসমিক সেন্টার থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।
পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানায়, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল নরসিংদীর পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে এবং ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প সক্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দ্রুত প্রতিক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট