বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান বিশেষ পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী প্রস্তুতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আমেজ শুরু হয়ে গেছে, আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনী দায়িত্বে ব্যস্ত থাকবে। তাই নির্বাচন ও রমজান শেষে ইজতেমা আয়োজনের বিষয়ে উভয় পক্ষের নেতারা সম্মতি জানিয়েছেন।
তবে কারা আগে ইজতেমা আয়োজন করবে, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ধর্ম উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, “দুই গ্রুপের একসঙ্গে ইজতেমা হওয়ার সুযোগ নেই। আলোচনা চালিয়ে উভয় পক্ষের তারিখ আলাদা করে নির্ধারণ করা হবে।”
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিল্প ও গৃহায়ন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি।
অন্যদিকে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে এনিসিপির জুলাই সনদে সই না করা বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। দরজা বন্ধ থাকলেও খুলতে বেশি সময় লাগবে না। আমাদের নিয়ত সহিহ ও পরিশুদ্ধ—আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছি।”
তিনি আরও জানান, ড. জাকির নায়েককে বাংলাদেশে আনার বিষয়ে কিছু প্রতিনিধি দেখা করেছিল। তবে এটি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিষয় নয় বলে স্পষ্ট করেন তিনি। “বিদেশি মেহমানদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এখানে ধর্ম উপদেষ্টার পছন্দ-অপছন্দ কোনো বিষয় নয়,” বলেন ড. খালিদ হোসেন।
ডেস্ক রিপোর্ট