পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফলাফল না পেলেও হতাশা নয়, ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসার শিক্ষা দেয় ইসলাম
প্রত্যাশিত ফল না পেলে ভেঙে না পড়ে ধৈর্য ধারণ, সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা এবং নতুন উদ্যমে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত।
- আপলোড সময় : ০১-১১-২০২৬ ০৮:৪৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০১-১১-২০২৬ ০৮:৫২:৩৩ পূর্বাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৫১ বার পঠিত
প্রতীকী ছবি- ( সংগৃহীত)
পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না পেলে অনেক শিক্ষার্থী হতাশ হয়ে পড়ে। কেউ নিজের যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহে ভোগে, আবার কেউ ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। তবে একটি পরীক্ষার ফলাফলই জীবনের সফলতা নির্ধারণ করে না। এমন পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ, আল্লাহর ওপর ভরসা এবং নতুন উদ্যমে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা দেয় ইসলাম।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।” (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৫৩)। এ আয়াতে কঠিন পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ এবং সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাই পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না এলে হতাশায় ভেঙে না পড়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া এবং নিজের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা উচিত।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “মুমিনের বিষয়টি আশ্চর্যজনক! নিশ্চয়ই তার প্রতিটি অবস্থাই তার জন্য কল্যাণকর। আর এটি মুমিন ছাড়া অন্য কারও জন্য নয়। যদি তার সুখ-সমৃদ্ধি আসে, তবে সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে; আর তা তার জন্য কল্যাণকর হয়। আর যদি তার ওপর কোনো বিপদ আসে, তবে সে ধৈর্য ধারণ করে; আর সেটিও তার জন্য কল্যাণকর হয়।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৯৯৯)। এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, একজন মুমিনের জীবনে ভালো-মন্দ উভয় পরিস্থিতিতেই কল্যাণের সুযোগ রয়েছে। তাই পরীক্ষায় খারাপ ফল হলে সেটিকে জীবনের শেষ মনে না করে নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া, প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ এবং পরবর্তী পরীক্ষার জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও সন্তানদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া এবং তাদের নতুন করে চেষ্টা করার সাহস জোগানো প্রয়োজন।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।