নীলফামারীর ১৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেননি কেউ
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১২ কলেজ ও দুই আলিম মাদ্রাসার সব পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য
- আপলোড সময় : ৩১-১০-২০২৬ ০৯:৩৯:৫০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩১-১০-২০২৬ ০৯:৩৯:৫০ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ১৮ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নীলফামারীর ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২টি কলেজ ও দুটি আলিম মাদ্রাসা রয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল অনুযায়ী, নীলফামারী সদর উপজেলার চারটি, ডিমলার তিনটি, ডোমারের তিনটি, কিশোরগঞ্জের দুটি এবং সৈয়দপুরের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ফেল হওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে আছেন নীলফামারী সদর উপজেলার আদর্শ কলেজে ৪০ জন, পঞ্চপুকুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৬ জন, তরণীবাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২ জন এবং লক্ষ্মীচাপ সৃজনশীল কলেজের ১ জন।
কিশোরগঞ্জ উপজেলার ভেড়ভেড়ি মাঝাপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫১ জন এবং নয়ানখান স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩ জন। ডিমলা উপজেলার জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১ জন, গয়াখড়িবাড়ি উইমেন্স কলেজে ১ জন এবং আদাবাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২ জন।
ডোমার উপজেলার জামিরবাড়ি মহিলা মহাবিদ্যালয়ে ৫ জন এবং বাগডোকরা নিমুজখানা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েও কেউ পাস করতে পারেননি। এছাড়া পাঙ্গা চৌপথী আবদুল মজিদ আলিম মাদ্রাসার ১৫ জন।
সৈয়দপুর উপজেলার ছমির উদ্দিন আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ২ জন এবং পোড়াহাট ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় ৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সরেজমিনে গিয়েও সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে নীলফামারী সদরের আদর্শ কলেজের প্রভাষক শরিউল ইসলাম শাহ বলেন, ‘আমাদের কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০০১ সালে। প্রায় ২৬ বছর ধরে আমরা বিনাবেতনে শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছি। শিক্ষকেরাও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। তারপরও শত প্রতিকূলতার মধ্যে শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে ডেকে এনে ক্লাস নিয়েছি। এরপরও তারা কেন পাস করতে পারল না? এর আগে কখনো এমন হয়নি।’
এ বিষয়ে নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মো. হুমায়ূন কবির বলেন, ১৪টি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা কেন পাস করতে পারেননি, তা জানতে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের ডাকা হয়েছে। তাদের কাছে জবাব চাওয়া হবে। পরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত দেবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।