বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক
স্ট্যানফোর্ড-এলসেভিয়ার ২০২৬ সালের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন, দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষে ঢাবি
- আপলোড সময় : ০৮-১০-২০২৬ ০৩:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৮-১০-২০২৬ ০৩:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন
- ২ মিনিট পড়ার সময়
- ৪২ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর ২০২৬ সালের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক স্থান পেয়েছেন। একই মূল্যায়নে বাংলাদেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার ৭ অক্টোবর এ তালিকা প্রকাশ করে।
গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, গবেষণার ধারাবাহিকতা এবং সহ-লেখকদের গবেষণাগত প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার মান ও প্রভাব মূল্যায়নে এ তালিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২০২৬ সালের তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পাওয়া ২২ জন হলেন—মো. রাকিবুল হক, আবদুস সালাম, মো. মাহবুবুর রহমান, তসলিম উর রশিদ, মুহাম্মদ ইব্রাহিম শাহ, এম. রেজাউল ইসলাম, সুবর্ণ বড়ুয়া, নেপাল চন্দ্র রায়, মো. কাওসার আহমেদ, সৈকত মিত্র, এম. এ. বি. এইচ. সুসান, মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, শেখ মো. মাহমুদুল ইসলাম, মো. আব্দুস সালাম, খন্দকার সামাহের সালেম, মোহাম্মদ ফেরদৌস, মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, মো. আব্দুর রাজ্জাক, এ. এস. এম. মাকসুদ কামাল, মো. আবদুর রশীদ এবং অর্ক জ্যোতি চক্রবর্তী।
এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেন, ২২ জন শিক্ষক ও গবেষকের এ তালিকায় স্থান পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া ঢাবির গবেষণার মান ও আন্তর্জাতিক প্রভাবের প্রতিফলন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উপাচার্য আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকেরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষণা করছেন এবং তাঁদের কাজ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পাচ্ছে। গবেষণার পরিধি ও মান আরও বাড়াতে গবেষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং তরুণ গবেষকদের উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক যেন আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় অবদান রাখতে পারেন, সে লক্ষ্যেই কাজ করা হচ্ছে বলে জানান উপাচার্য।
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।